ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ইইউর ২৭ সদস্য দেশের মধ্যে ১৫টি দেশেই বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি কমেছে।ইইউ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি গন্তব্য। দেশের মোট রপ্তানি আয়ের অর্ধেকের বেশি আসে এই বাজার থেকে। তবে গত অর্থবছরে ইইউতে পোশাক রপ্তানি কমেছে ৩ দশমিক ৩১ শতাংশ।সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে জার্মানিতে। দেশটিতে রপ্তানি কমেছে ১১ দশমিক ৫ শতাংশ। ফ্রান্সে প্রায় ৯ শতাংশ এবং ইতালিতে প্রায় ৮ শতাংশ রপ্তানি কমেছে।বিশেষ করে নিট পোশাক রপ্তানিতে বড় পতন হয়েছে। জার্মানিতে নিট পণ্যের রপ্তানি কমেছে প্রায় ১৩ শতাংশ।
আরও পড়ুন. শতভাগ বিদেশি বিনিয়োগে দেশের প্রথম কনটেইনার টার্মিনাল
শিল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, ব্যাংকঋণের উচ্চ সুদ এবং শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমেছে।এ ছাড়া বৈশ্বিক বাজারে চীন ও ভারতের মতো প্রতিযোগী দেশগুলো ইউরোপীয় বাজারে আরও সক্রিয় হওয়ায় চাপ বেড়েছে।তবে স্পেনে রপ্তানি বেড়েছে ৬ শতাংশ। নেদারল্যান্ডস, সুইডেন ও পোল্যান্ডসহ কয়েকটি তুলনামূলক ছোট বাজারেও প্রবৃদ্ধি হয়েছে।সব মিলিয়ে গত অর্থবছরে ইইউতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯০৬ কোটি ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ৬৫ কোটি ডলার কম।রপ্তানির এই নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয় ও পোশাক খাতের কর্মসংস্থানের ওপরও চাপ বাড়তে পারে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদ ও শিল্পসংশ্লিষ্টরা।
বিষয় : ইইউর পোশাক রপ্তানি ক্রমেই উদ্বেগজনক ইইউর

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬
ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ইইউর ২৭ সদস্য দেশের মধ্যে ১৫টি দেশেই বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি কমেছে।ইইউ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি গন্তব্য। দেশের মোট রপ্তানি আয়ের অর্ধেকের বেশি আসে এই বাজার থেকে। তবে গত অর্থবছরে ইইউতে পোশাক রপ্তানি কমেছে ৩ দশমিক ৩১ শতাংশ।সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে জার্মানিতে। দেশটিতে রপ্তানি কমেছে ১১ দশমিক ৫ শতাংশ। ফ্রান্সে প্রায় ৯ শতাংশ এবং ইতালিতে প্রায় ৮ শতাংশ রপ্তানি কমেছে।বিশেষ করে নিট পোশাক রপ্তানিতে বড় পতন হয়েছে। জার্মানিতে নিট পণ্যের রপ্তানি কমেছে প্রায় ১৩ শতাংশ।
আরও পড়ুন. শতভাগ বিদেশি বিনিয়োগে দেশের প্রথম কনটেইনার টার্মিনাল
শিল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, ব্যাংকঋণের উচ্চ সুদ এবং শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমেছে।এ ছাড়া বৈশ্বিক বাজারে চীন ও ভারতের মতো প্রতিযোগী দেশগুলো ইউরোপীয় বাজারে আরও সক্রিয় হওয়ায় চাপ বেড়েছে।তবে স্পেনে রপ্তানি বেড়েছে ৬ শতাংশ। নেদারল্যান্ডস, সুইডেন ও পোল্যান্ডসহ কয়েকটি তুলনামূলক ছোট বাজারেও প্রবৃদ্ধি হয়েছে।সব মিলিয়ে গত অর্থবছরে ইইউতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯০৬ কোটি ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ৬৫ কোটি ডলার কম।রপ্তানির এই নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয় ও পোশাক খাতের কর্মসংস্থানের ওপরও চাপ বাড়তে পারে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদ ও শিল্পসংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন