জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে খেলাফত মজলিস। দলটি বলছে, নির্বাচন শেষ হওয়ায় জোটের কার্যকারিতাও শেষ হয়েছে।শনিবার রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।দলের প্রচার সম্পাদক প্রকৌশলী আব্দুল হাফিজ খসরু জানান, এখন থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের সব কর্মসূচি থেকে বিরত থাকবে খেলাফত মজলিস। তবে ভবিষ্যতে দেশ, জাতি ও ইসলামের স্বার্থে বৃহত্তর কোনো ঐক্যের প্রয়োজন হলে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
আরও পড়ুন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগকে স্বাগত ইসলামী আন্দোলনের, ‘ফ্যাসিবাদের পতনের পরই এটি প্রত্যাশিত ছিল’
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১১ দলীয় ঐক্য মূলত নির্বাচনী সমঝোতার ভিত্তিতে গঠিত হয়েছিল। নির্বাচন শেষ হওয়ায় সেই জোটের কার্যকারিতাও বাস্তবে শেষ হয়ে গেছে।সভায় সভাপতিত্ব করেন দলের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ। পরিচালনা করেন মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের। এতে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও শূরা সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।এর আগে গত ১৩ জুন চট্টগ্রামের বিভাগীয় সমাবেশের পর খেলাফত মজলিস জোটকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেয়, ভবিষ্যতে কোনো সমাবেশ বা প্রচারণায় দলের নাম ব্যবহার না করার জন্য। পরবর্তীতে জোটের পক্ষ থেকেও তাদের নাম ব্যবহার বন্ধ করা হয়।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, খেলাফত মজলিসের এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে ইসলামপন্থী দলগুলোর রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন আলোচনার জন্ম দিতে পারে।
বিষয় : প্রকৌশলী খেলাফত মজলিস ১১ দলীয়

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে খেলাফত মজলিস। দলটি বলছে, নির্বাচন শেষ হওয়ায় জোটের কার্যকারিতাও শেষ হয়েছে।শনিবার রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।দলের প্রচার সম্পাদক প্রকৌশলী আব্দুল হাফিজ খসরু জানান, এখন থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের সব কর্মসূচি থেকে বিরত থাকবে খেলাফত মজলিস। তবে ভবিষ্যতে দেশ, জাতি ও ইসলামের স্বার্থে বৃহত্তর কোনো ঐক্যের প্রয়োজন হলে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
আরও পড়ুন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগকে স্বাগত ইসলামী আন্দোলনের, ‘ফ্যাসিবাদের পতনের পরই এটি প্রত্যাশিত ছিল’
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১১ দলীয় ঐক্য মূলত নির্বাচনী সমঝোতার ভিত্তিতে গঠিত হয়েছিল। নির্বাচন শেষ হওয়ায় সেই জোটের কার্যকারিতাও বাস্তবে শেষ হয়ে গেছে।সভায় সভাপতিত্ব করেন দলের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ। পরিচালনা করেন মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের। এতে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও শূরা সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।এর আগে গত ১৩ জুন চট্টগ্রামের বিভাগীয় সমাবেশের পর খেলাফত মজলিস জোটকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেয়, ভবিষ্যতে কোনো সমাবেশ বা প্রচারণায় দলের নাম ব্যবহার না করার জন্য। পরবর্তীতে জোটের পক্ষ থেকেও তাদের নাম ব্যবহার বন্ধ করা হয়।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, খেলাফত মজলিসের এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে ইসলামপন্থী দলগুলোর রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন আলোচনার জন্ম দিতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন