টানা অতিবৃষ্টি, কৃষিজমির ক্ষয়ক্ষতি এবং পরিবহন সংকটে রাজধানীর কাঁচাবাজারে দেখা দিয়েছে সরবরাহ ঘাটতি। এর প্রভাবে কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, সবজি, মাছ, মুরগিসহ প্রায় সব নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে অস্বাভাবিকভাবে। বিস্তারিত জানাচ্ছেন...রাজধানীর কারওয়ান বাজার, নিউমার্কেটসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ সবজির দাম এখন কেজিতে ১০০ টাকার ওপরে।কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি। টমেটো ১৬০, গাজর ১৩০, বরবটি ও করলা ১২০, উচ্ছে ১৪০, বেগুন ১২০ থেকে ১৬০ এবং শসা ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লাউ বিক্রি হচ্ছে প্রতি পিস ১০০ টাকায়।পেঁয়াজের দামও বেড়েছে। কয়েকদিন আগে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজির পেঁয়াজ এখন বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়।
আরও পড়ুন, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতিতে সুবিধাজনক অবস্থানে বাংলাদেশ
ফার্মের ডিমের ডজনও বেড়ে হয়েছে ১৪০ টাকা।মুরগির বাজারেও ঊর্ধ্বগতি। ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ১৯০ থেকে ২১০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকা কেজি দরে।মাছের বাজারেও একই চিত্র। রুই মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, চাষের চিংড়ি ৯০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা এবং এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকায়।ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে কার্যকর তদারকির অভাবে ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছেন। অন্যদিকে বিক্রেতাদের দাবি, টানা বৃষ্টির কারণে উৎপাদন কমে যাওয়া এবং পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় পাইকারি বাজার থেকেই বেশি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে।বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েকদিন বাজারে নিত্যপণ্যের দামে আরও চাপ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ অবস্থায় বাজার মনিটরিং জোরদারের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
বিষয় : সংকটাপন্ন কাঁচাবাজার ক্ষয়ক্ষতি

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
টানা অতিবৃষ্টি, কৃষিজমির ক্ষয়ক্ষতি এবং পরিবহন সংকটে রাজধানীর কাঁচাবাজারে দেখা দিয়েছে সরবরাহ ঘাটতি। এর প্রভাবে কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, সবজি, মাছ, মুরগিসহ প্রায় সব নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে অস্বাভাবিকভাবে। বিস্তারিত জানাচ্ছেন...রাজধানীর কারওয়ান বাজার, নিউমার্কেটসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ সবজির দাম এখন কেজিতে ১০০ টাকার ওপরে।কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি। টমেটো ১৬০, গাজর ১৩০, বরবটি ও করলা ১২০, উচ্ছে ১৪০, বেগুন ১২০ থেকে ১৬০ এবং শসা ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লাউ বিক্রি হচ্ছে প্রতি পিস ১০০ টাকায়।পেঁয়াজের দামও বেড়েছে। কয়েকদিন আগে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজির পেঁয়াজ এখন বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়।
আরও পড়ুন, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতিতে সুবিধাজনক অবস্থানে বাংলাদেশ
ফার্মের ডিমের ডজনও বেড়ে হয়েছে ১৪০ টাকা।মুরগির বাজারেও ঊর্ধ্বগতি। ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ১৯০ থেকে ২১০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকা কেজি দরে।মাছের বাজারেও একই চিত্র। রুই মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, চাষের চিংড়ি ৯০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা এবং এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকায়।ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে কার্যকর তদারকির অভাবে ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছেন। অন্যদিকে বিক্রেতাদের দাবি, টানা বৃষ্টির কারণে উৎপাদন কমে যাওয়া এবং পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় পাইকারি বাজার থেকেই বেশি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে।বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েকদিন বাজারে নিত্যপণ্যের দামে আরও চাপ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ অবস্থায় বাজার মনিটরিং জোরদারের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।

আপনার মতামত লিখুন