যুক্তরাষ্ট্রের নতুন বাণিজ্যিক শুল্ক ব্যবস্থায় বাংলাদেশ পেয়েছে সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্কহার। সরকারের দাবি, এর ফলে চীন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডের মতো প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের তুলনায় মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে। বিস্তারিত জানাচ্ছেন...মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় বা ইউএসটিআর বিশ্বের ৮৬টি দেশের জন্য নতুন শুল্কহার ঘোষণা করেছে। ২৩ জুলাই ঘোষিত এ সিদ্ধান্ত ওয়াশিংটন সময় শুক্রবার রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে কার্যকর হয়েছে।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর বিদ্যমান মোস্ট ফেভার্ড নেশন বা এমএফএন শুল্কের পাশাপাশি অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। তবে ৮৬টি দেশের মধ্যে মাত্র ১৭টি দেশ এই সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্কস্তরে রয়েছে, যার মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে।
আরও পড়ুন, ‘জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করলে শেষ পর্যন্ত রক্ষা নেই’ : হাসনাত আবদুল্লাহ
অন্যদিকে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী পোশাক রপ্তানিকারক দেশ চীন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্কস্তরে রাখা হয়েছে। ফলে এসব দেশের তুলনায় বাংলাদেশ কিছুটা প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা পাবে বলে আশা করছে সরকার।এ ছাড়া বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার জন্য তিন বছর মেয়াদি ট্যারিফ-রেট কোটা চালুর বিষয়টিও বিবেচনা করছে ইউএসটিআর। এটি কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রের তুলা ও বস্ত্র উপকরণ ব্যবহার করে উৎপাদিত কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত শুল্ক ছাড়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, আন্তর্জাতিক শ্রমমান বজায় রাখা এবং রপ্তানি খাতের টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
বিষয় : বাংলাদেশ নতুন শুল্কনীতি নতুন বাণিজ্যি

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন বাণিজ্যিক শুল্ক ব্যবস্থায় বাংলাদেশ পেয়েছে সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্কহার। সরকারের দাবি, এর ফলে চীন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডের মতো প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের তুলনায় মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে। বিস্তারিত জানাচ্ছেন...মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় বা ইউএসটিআর বিশ্বের ৮৬টি দেশের জন্য নতুন শুল্কহার ঘোষণা করেছে। ২৩ জুলাই ঘোষিত এ সিদ্ধান্ত ওয়াশিংটন সময় শুক্রবার রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে কার্যকর হয়েছে।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর বিদ্যমান মোস্ট ফেভার্ড নেশন বা এমএফএন শুল্কের পাশাপাশি অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। তবে ৮৬টি দেশের মধ্যে মাত্র ১৭টি দেশ এই সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্কস্তরে রয়েছে, যার মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে।
আরও পড়ুন, ‘জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করলে শেষ পর্যন্ত রক্ষা নেই’ : হাসনাত আবদুল্লাহ
অন্যদিকে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী পোশাক রপ্তানিকারক দেশ চীন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্কস্তরে রাখা হয়েছে। ফলে এসব দেশের তুলনায় বাংলাদেশ কিছুটা প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা পাবে বলে আশা করছে সরকার।এ ছাড়া বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার জন্য তিন বছর মেয়াদি ট্যারিফ-রেট কোটা চালুর বিষয়টিও বিবেচনা করছে ইউএসটিআর। এটি কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রের তুলা ও বস্ত্র উপকরণ ব্যবহার করে উৎপাদিত কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত শুল্ক ছাড়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, আন্তর্জাতিক শ্রমমান বজায় রাখা এবং রপ্তানি খাতের টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন