রাজধানীর নয়াপল্টনে অবস্থিত জি এফ ওভারসিজ লিমিটেড (GF Overseas Ltd.)-এর বিরুদ্ধে বিদেশে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন একাধিক ভুক্তভোগী।ওভারসিজ সাইনবোর্ড লাগিয়ে এ কার্যকলাপ করার পর এখন নতুন নাম হয়েছে মামুন ইন্টারন্যাশনাল।ভুক্তভোগীদের দাবি, বিভিন্ন দেশে কর্মসংস্থানের আশ্বাস দিয়ে তাদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা নেওয়া হলেও নির্ধারিত সময়ে বিদেশে পাঠানো হয়নি। অনেকেই টাকা ফেরত চাইলে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে নানা অজুহাত দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন।ভুক্তভোগী নজরুল বলেন,বিদেশে পাঠানোর কথা বলে আমার কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, গাজীপুরে আবাসিক হোটেল থেকে নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার, সঙ্গী পলাতক
দীর্ঘদিন পার হলেও কোনো কাজের ব্যবস্থা হয়নি, টাকাও ফেরত পাইনি।"আরেক ভুক্তভোগী অভিযোগ,আমাদের মতো অনেকের কাছ থেকে একইভাবে টাকা নেওয়া হয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।"ভুক্তভোগী প্রতিবন্ধী ওয়াসিম বলেন, আমার ছেলে কে বিদেশে পাঠানোর জন্য ৬ লাখ টাকা নিছে। বিদেশ পাঠাইতে পারে নাই।এখন আমার টাক দেয় না।নজরুলের মাধমে এই দিছি।আমি অসুস্থ প্রতিবন্ধী। প্রতিদিন বাড়ীর ওপর কিস্তির লোক বসে থাকে।এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করলে, তিনি বলেন সে এখন সৌদি আছে। পরে এ বিষয়ে কথা বলবে।
বিষয় : আত্মসাত প্রতিশ্রুতি ভুক্তভোগী

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
রাজধানীর নয়াপল্টনে অবস্থিত জি এফ ওভারসিজ লিমিটেড (GF Overseas Ltd.)-এর বিরুদ্ধে বিদেশে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন একাধিক ভুক্তভোগী।ওভারসিজ সাইনবোর্ড লাগিয়ে এ কার্যকলাপ করার পর এখন নতুন নাম হয়েছে মামুন ইন্টারন্যাশনাল।ভুক্তভোগীদের দাবি, বিভিন্ন দেশে কর্মসংস্থানের আশ্বাস দিয়ে তাদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা নেওয়া হলেও নির্ধারিত সময়ে বিদেশে পাঠানো হয়নি। অনেকেই টাকা ফেরত চাইলে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে নানা অজুহাত দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন।ভুক্তভোগী নজরুল বলেন,বিদেশে পাঠানোর কথা বলে আমার কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, গাজীপুরে আবাসিক হোটেল থেকে নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার, সঙ্গী পলাতক
দীর্ঘদিন পার হলেও কোনো কাজের ব্যবস্থা হয়নি, টাকাও ফেরত পাইনি।"আরেক ভুক্তভোগী অভিযোগ,আমাদের মতো অনেকের কাছ থেকে একইভাবে টাকা নেওয়া হয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।"ভুক্তভোগী প্রতিবন্ধী ওয়াসিম বলেন, আমার ছেলে কে বিদেশে পাঠানোর জন্য ৬ লাখ টাকা নিছে। বিদেশ পাঠাইতে পারে নাই।এখন আমার টাক দেয় না।নজরুলের মাধমে এই দিছি।আমি অসুস্থ প্রতিবন্ধী। প্রতিদিন বাড়ীর ওপর কিস্তির লোক বসে থাকে।এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করলে, তিনি বলেন সে এখন সৌদি আছে। পরে এ বিষয়ে কথা বলবে।

আপনার মতামত লিখুন