গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানার চান্দনা-চৌরাস্তা এলাকার ‘ই ভ্যালি’ নামের একটি আবাসিক হোটেলের একটি কক্ষ থেকে শান্তা বেগম (৩৩) নামে এক নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে হোটেলের ৩০৭ নম্বর কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে বাসন থানা পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের সঙ্গে হোটেলে অবস্থানকারী লিখন মিয়া পরিচয়দানকারী এক ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাসন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হারুন অর রশিদ জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।পুলিশ জানায়, নিহত শান্তা বেগম (৩৩) গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার হরিরামপুর এলাকার শহিদুল ইসলামের মেয়ে।
আরও পড়ুন, টিসিবির গুদামে ভয়াবহ আগুন, আগুন নেভাতে গিয়ে প্রাণ গেল তরুণ ভ্যানচালকের
বাসন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রুপক জানান, হোটেল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী সোমবার দুপুরে শান্তা বেগম মো. লিখন মিয়া (৩৫) পরিচয়দানকারী এক ব্যক্তির সঙ্গে হোটেলে ওঠেন। তবে ওই ব্যক্তির প্রকৃত পরিচয় নিয়ে পুলিশের সন্দেহ রয়েছে।প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, কক্ষ ভাড়ার সময় লিখন মিয়া পরিচয়দানকারী ব্যক্তি ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করেছেন। এছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) যাচাই বা সংরক্ষণ না করেই হোটেল কর্তৃপক্ষ কক্ষ ভাড়া দিয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।পুলিশ জানায়, ঘটনার পর থেকেই লিখন মিয়া পরিচয়দানকারী ওই ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন। তার প্রকৃত পরিচয় শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।এসআই রুপক আরও জানান, নিহতের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। তারা আসার পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মামলা দায়ের করা হবে।
বিষয় : নারী আবাসিক হোটেল রক্তাক্ত মরদেহ

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানার চান্দনা-চৌরাস্তা এলাকার ‘ই ভ্যালি’ নামের একটি আবাসিক হোটেলের একটি কক্ষ থেকে শান্তা বেগম (৩৩) নামে এক নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে হোটেলের ৩০৭ নম্বর কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে বাসন থানা পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের সঙ্গে হোটেলে অবস্থানকারী লিখন মিয়া পরিচয়দানকারী এক ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাসন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হারুন অর রশিদ জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।পুলিশ জানায়, নিহত শান্তা বেগম (৩৩) গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার হরিরামপুর এলাকার শহিদুল ইসলামের মেয়ে।
আরও পড়ুন, টিসিবির গুদামে ভয়াবহ আগুন, আগুন নেভাতে গিয়ে প্রাণ গেল তরুণ ভ্যানচালকের
বাসন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রুপক জানান, হোটেল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী সোমবার দুপুরে শান্তা বেগম মো. লিখন মিয়া (৩৫) পরিচয়দানকারী এক ব্যক্তির সঙ্গে হোটেলে ওঠেন। তবে ওই ব্যক্তির প্রকৃত পরিচয় নিয়ে পুলিশের সন্দেহ রয়েছে।প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, কক্ষ ভাড়ার সময় লিখন মিয়া পরিচয়দানকারী ব্যক্তি ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করেছেন। এছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) যাচাই বা সংরক্ষণ না করেই হোটেল কর্তৃপক্ষ কক্ষ ভাড়া দিয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।পুলিশ জানায়, ঘটনার পর থেকেই লিখন মিয়া পরিচয়দানকারী ওই ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন। তার প্রকৃত পরিচয় শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।এসআই রুপক আরও জানান, নিহতের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। তারা আসার পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মামলা দায়ের করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন