বাংলাদেশের চলমান বন্যায় ১০ জেলার ১১ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দ্য ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেডক্রস অ্যান্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিজ (আইএফআরসি)। সরকারের তথ্যের বরাত দিয়ে সংস্থাটি জানিয়েছে, বন্যায় এখন পর্যন্ত ৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৩৮ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।আইএফআরসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েক দিনের টানা ভারী মৌসুমি বৃষ্টির কারণে দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা, আকস্মিক বন্যা, নদীপ্লাবন ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। চট্টগ্রাম, টেকনাফ, বান্দরবান ও সিলেটে অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৯ জুলাই চট্টগ্রামে ২৯৮ দশমিক ৮ মিলিমিটার এবং ১০ জুলাই ২০৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। একই দিনে টেকনাফে ২৪৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়। ১১ জুলাই সিলেটের জাফলংয়ে ১৫৬ মিলিমিটার এবং ১২ জুলাই বান্দরবানের লামায় ১৫৫ মিলিমিটার ও টেকনাফে ১৩৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: বিমান উড়ার শব্দেই এখনো আতঙ্কে শিক্ষার্থী-শিক্ষক
আইএফআরসি জানিয়েছে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমাসহ প্রধান নদীগুলোর পানি কমতে শুরু করায় সিলেট ও সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির আশা করা হচ্ছে। একইভাবে রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানিও কমছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, যোগাযোগ ব্যবস্থা, জলাবদ্ধতা ও ভূমিধসের ঝুঁকির কারণে অনেক এলাকায় দুর্ভোগ এখনো অব্যাহত রয়েছে।সংস্থাটির তথ্যমতে, সাত জেলায় ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯১৮টি পরিবার পানিবন্দী বা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। প্রাথমিক সরকারি হিসাবে বান্দরবানে ১৫ হাজার ৮৮১টি, চট্টগ্রামে ১৩ হাজার ৮৬০টি, খাগড়াছড়িতে ১ হাজার ৪০টি এবং কক্সবাজারে ১ হাজার ৬১৩টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া ৫৬টি উপজেলার ৩৭৪টি ইউনিয়ন ও চারটি পৌরসভা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।কক্সবাজারের ৩৩টি রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরেও বন্যা ও ভূমিধসের বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। সেখানে ২৮ হাজারের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন
বিষয় : ক্ষতিগ্রস্ত বন্যা রেডক্রস

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশের চলমান বন্যায় ১০ জেলার ১১ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দ্য ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেডক্রস অ্যান্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিজ (আইএফআরসি)। সরকারের তথ্যের বরাত দিয়ে সংস্থাটি জানিয়েছে, বন্যায় এখন পর্যন্ত ৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৩৮ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।আইএফআরসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েক দিনের টানা ভারী মৌসুমি বৃষ্টির কারণে দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা, আকস্মিক বন্যা, নদীপ্লাবন ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। চট্টগ্রাম, টেকনাফ, বান্দরবান ও সিলেটে অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৯ জুলাই চট্টগ্রামে ২৯৮ দশমিক ৮ মিলিমিটার এবং ১০ জুলাই ২০৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। একই দিনে টেকনাফে ২৪৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়। ১১ জুলাই সিলেটের জাফলংয়ে ১৫৬ মিলিমিটার এবং ১২ জুলাই বান্দরবানের লামায় ১৫৫ মিলিমিটার ও টেকনাফে ১৩৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: বিমান উড়ার শব্দেই এখনো আতঙ্কে শিক্ষার্থী-শিক্ষক
আইএফআরসি জানিয়েছে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমাসহ প্রধান নদীগুলোর পানি কমতে শুরু করায় সিলেট ও সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির আশা করা হচ্ছে। একইভাবে রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানিও কমছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, যোগাযোগ ব্যবস্থা, জলাবদ্ধতা ও ভূমিধসের ঝুঁকির কারণে অনেক এলাকায় দুর্ভোগ এখনো অব্যাহত রয়েছে।সংস্থাটির তথ্যমতে, সাত জেলায় ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯১৮টি পরিবার পানিবন্দী বা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। প্রাথমিক সরকারি হিসাবে বান্দরবানে ১৫ হাজার ৮৮১টি, চট্টগ্রামে ১৩ হাজার ৮৬০টি, খাগড়াছড়িতে ১ হাজার ৪০টি এবং কক্সবাজারে ১ হাজার ৬১৩টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া ৫৬টি উপজেলার ৩৭৪টি ইউনিয়ন ও চারটি পৌরসভা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।কক্সবাজারের ৩৩টি রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরেও বন্যা ও ভূমিধসের বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। সেখানে ২৮ হাজারের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন

আপনার মতামত লিখুন