টানা ভারী বর্ষণ ও ভারতের মেঘালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোনার কলমাকান্দায় উপদাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে সীমান্ত এলাকায় ভাঙন ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে।পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, কলমাকান্দার উপদাখালী ডাকবাংলো পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যদিও জেলার অন্য নদ-নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচে রয়েছে।সোমবার সকালে পাহাড়ি ঢলের প্রবল স্রোতে সীমান্তবর্তী গজারমারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি অংশ ভেঙে যায়। পাশাপাশি একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের কয়েকটি স্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এছাড়া কয়েকটি পুকুর উপচে মাছ ভেসে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
আরও পড়ুন, সাভারে রেডিও কলোনির একমাত্র ফুটপাত হকারদের দখলে, চরম ভোগান্তিতে পথচারী ও শিক্ষার্থীরা
খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মিকাইল ইসলাম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয় ও সড়ক দ্রুত মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, পাহাড়ি ঢলের পানি কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নেমে গেলেও ভবিষ্যতে ক্ষতি কমাতে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।এদিকে আবহাওয়া অনুকূলে না এলে নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা এবং কৃষিজমির বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
বিষয় : ক্ষতিগ্রস্ত বন্যার শঙ্কা ভারী বর্ষণ

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
টানা ভারী বর্ষণ ও ভারতের মেঘালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোনার কলমাকান্দায় উপদাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে সীমান্ত এলাকায় ভাঙন ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে।পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, কলমাকান্দার উপদাখালী ডাকবাংলো পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যদিও জেলার অন্য নদ-নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচে রয়েছে।সোমবার সকালে পাহাড়ি ঢলের প্রবল স্রোতে সীমান্তবর্তী গজারমারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি অংশ ভেঙে যায়। পাশাপাশি একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের কয়েকটি স্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এছাড়া কয়েকটি পুকুর উপচে মাছ ভেসে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
আরও পড়ুন, সাভারে রেডিও কলোনির একমাত্র ফুটপাত হকারদের দখলে, চরম ভোগান্তিতে পথচারী ও শিক্ষার্থীরা
খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মিকাইল ইসলাম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয় ও সড়ক দ্রুত মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, পাহাড়ি ঢলের পানি কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নেমে গেলেও ভবিষ্যতে ক্ষতি কমাতে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।এদিকে আবহাওয়া অনুকূলে না এলে নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা এবং কৃষিজমির বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন