বাংলাদেশের শ্রম খাতের উন্নয়ন, শ্রমিকের অধিকার সুরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নে সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা—আইএলও। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।বৈঠকের শুরুতে আইএলও মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ. হোংবো প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান।তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বাংলাদেশের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থা আরও সুদৃঢ় হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘদিনের অংশীদারত্ব আরও সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করে আইএলও।
আরও পড়ুন, জুলাইয়ের চেতনা নয়, জনগণের কাছে রূপরেখা দিন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষা, নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়ন সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।বৈঠকে শ্রমিকদের সামাজিক নিরাপত্তা, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, তৈরি পোশাক খাতের অগ্রগতি, কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা এবং অনানুষ্ঠানিক শ্রমবাজার উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়।এ ছাড়া অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার, নিরাপদ অভিবাসন এবং বিদেশগামী কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নেও সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে উভয় পক্ষ মতবিনিময় করেন।বৈঠক শেষে শ্রমিকবান্ধব ও টেকসই কর্মপরিবেশ গড়ে তুলতে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বাংলাদেশ সরকার ও আইএলও।
বিষয় : বৈঠক প্রধানমন্ত্রী আইএল

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশের শ্রম খাতের উন্নয়ন, শ্রমিকের অধিকার সুরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নে সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা—আইএলও। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।বৈঠকের শুরুতে আইএলও মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ. হোংবো প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান।তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বাংলাদেশের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থা আরও সুদৃঢ় হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘদিনের অংশীদারত্ব আরও সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করে আইএলও।
আরও পড়ুন, জুলাইয়ের চেতনা নয়, জনগণের কাছে রূপরেখা দিন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষা, নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়ন সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।বৈঠকে শ্রমিকদের সামাজিক নিরাপত্তা, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, তৈরি পোশাক খাতের অগ্রগতি, কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা এবং অনানুষ্ঠানিক শ্রমবাজার উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়।এ ছাড়া অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার, নিরাপদ অভিবাসন এবং বিদেশগামী কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নেও সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে উভয় পক্ষ মতবিনিময় করেন।বৈঠক শেষে শ্রমিকবান্ধব ও টেকসই কর্মপরিবেশ গড়ে তুলতে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বাংলাদেশ সরকার ও আইএলও।

আপনার মতামত লিখুন