মাতামুহুরী নদী পানি বৃদ্ধি পাওয়াতে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি আরো অবনতির দিকে যাচ্ছে । বৃষ্টিপাত অব্যহত থাকাতে বানের পানি দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পেয়ে বন্যা পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ আকার ধারন করেছে। এতে এ উপজেলার ১৫০ শতের মত গ্রামের প্রায় দুই লক্ষাধীক মানুষ পানি বন্দী হয়ে পড়েছেন। অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা সদরের সাথে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। গৃহপালিত পশু নিয়ে বেকায়দায় পড়েছেন লোকজন। পশুদের খাবারের সংকট দেখা দিয়েছে। খোজঁখবর নিয়ে জানা গেছে উপজেলার হারবাং, বরইতলী, কৈয়ারবিল, লক্ষ্যারচর, কাকারা, সুরাজপুর মানিকপুর, ফাঁসিয়াখালী, ডুলাহাজারা, খুটাখালী, চকরিয়া পৌরসভার নিম্নাঞ্চল সমুহ প্লাবিত হয়েছে। এবং জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রাস্তাঘাট, দোকানপাট বানের পানিতে নিমর্জ্জিত রয়েছে। যার কারনে সবশ্রেনির মানুষের মাঝে চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছে। এই নিয়ে বেকায়দায় পড়েছেন অসহায় পরিবারের লোকজনেরা । তারা বর্তমানে কমবেশি অভাবঅনটনের মাঝে কালযাপন করছেন।
আরও পড়ুন, লামায় দুর্যোগের আগাম সতর্কবার্তা ও আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুতিতে আশিকা এনজিও
এদিকে ভারি বর্ষণ অব্যহত ও মাতামুহুরি নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়াতে বন্যা পরিস্থিতি আরো খারাপের দিকে যাচ্ছে। এসময়ে আরো নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। উপজেলার সাথে অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা সদরের সাথে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। কক্সবাজারের চকরিয়ায় বন্যা পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। উপজেলার হারবাং, বরইতলী, কৈয়ারবিল, লক্ষ্যারচর, কাকারা, সুরাজপুর মানিকপুর, ফাঁসিয়াখালী, ডুলাহাজারা, খুটাখালী, চকরিয়া পৌরসভার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে গেছে। চকরিয়ার বরইতলী মছনিয়াকাটা এলাকায় পাহাড় ধসে দুই ভাই-বোনের করুন মৃত্যু হয়েছে। ভারি বর্ষণ অব্যাহত ও মাতামুহুরি নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যা পরিস্থিতি আরো খারাপের দিকে যাচ্ছে। একের পর এক দ্রুত নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। উপজেলার সাথে অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এদিকে মাতামুহুরী উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের পুরুইত্যাখালী এলাকায় মাতামুহুরী নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে বানের পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়েছে
বিষয় : পরিস্থিতি পানি বৃদ্ধি দ্রুতগতি

শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
মাতামুহুরী নদী পানি বৃদ্ধি পাওয়াতে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি আরো অবনতির দিকে যাচ্ছে । বৃষ্টিপাত অব্যহত থাকাতে বানের পানি দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পেয়ে বন্যা পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ আকার ধারন করেছে। এতে এ উপজেলার ১৫০ শতের মত গ্রামের প্রায় দুই লক্ষাধীক মানুষ পানি বন্দী হয়ে পড়েছেন। অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা সদরের সাথে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। গৃহপালিত পশু নিয়ে বেকায়দায় পড়েছেন লোকজন। পশুদের খাবারের সংকট দেখা দিয়েছে। খোজঁখবর নিয়ে জানা গেছে উপজেলার হারবাং, বরইতলী, কৈয়ারবিল, লক্ষ্যারচর, কাকারা, সুরাজপুর মানিকপুর, ফাঁসিয়াখালী, ডুলাহাজারা, খুটাখালী, চকরিয়া পৌরসভার নিম্নাঞ্চল সমুহ প্লাবিত হয়েছে। এবং জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রাস্তাঘাট, দোকানপাট বানের পানিতে নিমর্জ্জিত রয়েছে। যার কারনে সবশ্রেনির মানুষের মাঝে চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছে। এই নিয়ে বেকায়দায় পড়েছেন অসহায় পরিবারের লোকজনেরা । তারা বর্তমানে কমবেশি অভাবঅনটনের মাঝে কালযাপন করছেন।
আরও পড়ুন, লামায় দুর্যোগের আগাম সতর্কবার্তা ও আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুতিতে আশিকা এনজিও
এদিকে ভারি বর্ষণ অব্যহত ও মাতামুহুরি নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়াতে বন্যা পরিস্থিতি আরো খারাপের দিকে যাচ্ছে। এসময়ে আরো নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। উপজেলার সাথে অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা সদরের সাথে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। কক্সবাজারের চকরিয়ায় বন্যা পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। উপজেলার হারবাং, বরইতলী, কৈয়ারবিল, লক্ষ্যারচর, কাকারা, সুরাজপুর মানিকপুর, ফাঁসিয়াখালী, ডুলাহাজারা, খুটাখালী, চকরিয়া পৌরসভার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে গেছে। চকরিয়ার বরইতলী মছনিয়াকাটা এলাকায় পাহাড় ধসে দুই ভাই-বোনের করুন মৃত্যু হয়েছে। ভারি বর্ষণ অব্যাহত ও মাতামুহুরি নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যা পরিস্থিতি আরো খারাপের দিকে যাচ্ছে। একের পর এক দ্রুত নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। উপজেলার সাথে অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এদিকে মাতামুহুরী উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের পুরুইত্যাখালী এলাকায় মাতামুহুরী নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে বানের পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়েছে

আপনার মতামত লিখুন