৮ জুলাই: পাহাড়ি অঞ্চলে সম্ভাব্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে বান্দরবানের লামা উপজেলায় আগাম সতর্কবার্তা প্রচার এবং আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুতির কার্যক্রম পরিচালনা করেছে আশিকা ডেভেলাপমেন্ট এসোসিয়েটস।বুধবার (৮ জুলাই) উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত লামা সদর ইউনিয়নের মেরাখোলা এবং রূপসীপাড়া ইউনিয়নে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। কার্যক্রমের আওতায় স্থানীয় জনগণকে সম্ভাব্য দুর্যোগ সম্পর্কে আগাম সতর্ক করা, নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করা এবং দুর্যোগকালীন করণীয় সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা হয়।এ কার্যক্রম ‘সুরক্ষা (Scaling Up Multi-Hazard Anticipatory Action in Hilly Regions of Bangladesh)’ প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটি সেভ দ্য চিলড্রেন-এর সহযোগিতায় পরিচালিত হচ্ছে।
আরও পড়ুন, দেশ প্রতিদিন পত্রিকার বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ, অর্থ ফেরত ও পত্রিকার নিবন্ধন বাতিল
এতে কারিগরি সহযোগিতা প্রদান করছে রাইমস (RIMES) এবং অর্থায়ন করছে ইকো (European Civil Protection and Humanitarian Aid Operations–ECHO)। প্রকল্পটির বাস্তবায়নকারী সংস্থা আশিকা ডেভেলাপমেন্ট এসোসিয়েটস।প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবক এবং কমিউনিটির সদস্যদের সমন্বয়ে দুর্যোগপূর্ব প্রস্তুতি জোরদার করা হচ্ছে। পাশাপাশি আগাম সতর্কবার্তা দ্রুত জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া, ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখা এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তরের বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।সংশ্লিষ্টরা জানান, পাহাড়ি এলাকায় অতিবৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকি বিবেচনায় আগাম প্রস্তুতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সময়মতো সতর্কবার্তা প্রচার এবং আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখার মাধ্যমে সম্ভাব্য প্রাণহানি ও জানমালের ক্ষয়ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
৮ জুলাই: পাহাড়ি অঞ্চলে সম্ভাব্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে বান্দরবানের লামা উপজেলায় আগাম সতর্কবার্তা প্রচার এবং আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুতির কার্যক্রম পরিচালনা করেছে আশিকা ডেভেলাপমেন্ট এসোসিয়েটস।বুধবার (৮ জুলাই) উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত লামা সদর ইউনিয়নের মেরাখোলা এবং রূপসীপাড়া ইউনিয়নে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। কার্যক্রমের আওতায় স্থানীয় জনগণকে সম্ভাব্য দুর্যোগ সম্পর্কে আগাম সতর্ক করা, নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করা এবং দুর্যোগকালীন করণীয় সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা হয়।এ কার্যক্রম ‘সুরক্ষা (Scaling Up Multi-Hazard Anticipatory Action in Hilly Regions of Bangladesh)’ প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটি সেভ দ্য চিলড্রেন-এর সহযোগিতায় পরিচালিত হচ্ছে।
আরও পড়ুন, দেশ প্রতিদিন পত্রিকার বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ, অর্থ ফেরত ও পত্রিকার নিবন্ধন বাতিল
এতে কারিগরি সহযোগিতা প্রদান করছে রাইমস (RIMES) এবং অর্থায়ন করছে ইকো (European Civil Protection and Humanitarian Aid Operations–ECHO)। প্রকল্পটির বাস্তবায়নকারী সংস্থা আশিকা ডেভেলাপমেন্ট এসোসিয়েটস।প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবক এবং কমিউনিটির সদস্যদের সমন্বয়ে দুর্যোগপূর্ব প্রস্তুতি জোরদার করা হচ্ছে। পাশাপাশি আগাম সতর্কবার্তা দ্রুত জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া, ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখা এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তরের বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।সংশ্লিষ্টরা জানান, পাহাড়ি এলাকায় অতিবৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকি বিবেচনায় আগাম প্রস্তুতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সময়মতো সতর্কবার্তা প্রচার এবং আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখার মাধ্যমে সম্ভাব্য প্রাণহানি ও জানমালের ক্ষয়ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

আপনার মতামত লিখুন