দেশের কৃষি খাতে ঋণ খেলাপির হার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে চলেছে। একই সঙ্গে বাড়ছে বকেয়া ঋণের পরিমাণও, যা আগামীতে খেলাপি ঋণ আরও বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।রোববার প্রকাশিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত কৃষি খাতে মোট ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৬৩ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা। এর মধ্যে ২০ হাজার ১৩০ কোটি টাকা খেলাপিতে পরিণত হয়েছে। অর্থাৎ মোট ঋণের ৩২ শতাংশই এখন খেলাপি।গত বছরের একই সময়ে কৃষি খাতে মোট ঋণের স্থিতি ছিল ৫৮ হাজার ৩২১ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৬ হাজার ৮৮১ কোটি টাকা বা ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ ছিল খেলাপি। এর আগে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ হার ছিল মাত্র ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
আরও পড়ুন ,পোশাক খাতে গভীর সংকট: বন্ধ হচ্ছে কারখানা, বাড়ছে কর্মহীনতা
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, গত অর্থবছরের আগে কৃষি খাতে খেলাপি ঋণের হার সাধারণত ৫ থেকে ৭ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এ হার দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, বকেয়া ঋণের পরিমাণও উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। গত বছরের মে মাসে বকেয়া ঋণের স্থিতি ছিল ৯ হাজার ৮৫১ কোটি টাকা, যা এক বছরের ব্যবধানে বেড়ে ২৩ হাজার ১০৩ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, কৃষি খাতে ঋণ বিতরণ বৃদ্ধি ইতিবাচক হলেও খেলাপি ঋণের লাগাম টেনে ধরতে হবে। অন্যথায় কৃষি অর্থায়নের স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়তে পারে।প্রতিবেদনে কৃষি খাতে খেলাপি ঋণ আদায়, তদারকি ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় আরও সতর্ক ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬
দেশের কৃষি খাতে ঋণ খেলাপির হার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে চলেছে। একই সঙ্গে বাড়ছে বকেয়া ঋণের পরিমাণও, যা আগামীতে খেলাপি ঋণ আরও বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।রোববার প্রকাশিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত কৃষি খাতে মোট ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৬৩ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা। এর মধ্যে ২০ হাজার ১৩০ কোটি টাকা খেলাপিতে পরিণত হয়েছে। অর্থাৎ মোট ঋণের ৩২ শতাংশই এখন খেলাপি।গত বছরের একই সময়ে কৃষি খাতে মোট ঋণের স্থিতি ছিল ৫৮ হাজার ৩২১ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৬ হাজার ৮৮১ কোটি টাকা বা ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ ছিল খেলাপি। এর আগে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ হার ছিল মাত্র ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
আরও পড়ুন ,পোশাক খাতে গভীর সংকট: বন্ধ হচ্ছে কারখানা, বাড়ছে কর্মহীনতা
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, গত অর্থবছরের আগে কৃষি খাতে খেলাপি ঋণের হার সাধারণত ৫ থেকে ৭ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এ হার দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, বকেয়া ঋণের পরিমাণও উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। গত বছরের মে মাসে বকেয়া ঋণের স্থিতি ছিল ৯ হাজার ৮৫১ কোটি টাকা, যা এক বছরের ব্যবধানে বেড়ে ২৩ হাজার ১০৩ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, কৃষি খাতে ঋণ বিতরণ বৃদ্ধি ইতিবাচক হলেও খেলাপি ঋণের লাগাম টেনে ধরতে হবে। অন্যথায় কৃষি অর্থায়নের স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়তে পারে।প্রতিবেদনে কৃষি খাতে খেলাপি ঋণ আদায়, তদারকি ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় আরও সতর্ক ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন