বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষি উৎপাদন এবং জীবিকা সুরক্ষায় প্রায় ১ দশমিক ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার জরুরি সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা।শুক্রবার দুটি পৃথক প্রকল্পের আওতায় এ অর্থায়নের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।সংস্থাটির বাংলাদেশ ও ভুটানবিষয়ক বিভাগীয় পরিচালক জ্যাঁ পেসমে বলেছেন, এই সহায়তার মাধ্যমে ধান উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সারের সরবরাহ নিশ্চিত করা, মানুষের জীবিকা ও কর্মসংস্থান রক্ষা এবং জরুরি সেবা অব্যাহত রাখতে সহায়তা করা হবে।অনুমোদিত অর্থের মধ্যে ‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট ফর ফুড সিকিউরিটি প্রজেক্ট’-এর আওতায় ৩০ কোটি ডলার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, ৩১জুলাই পর্যন্ত আমবাজার এলাকায় শনিবারও চালু থাকবে ব্যাংকিং সেবা
এই অর্থ দিয়ে ২০২৬ সালের আমন ও বোরো মৌসুমের জন্য প্রয়োজনীয় সার আমদানিতে সহায়তা করা হবে।বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, বাংলাদেশের মোট সারের চাহিদার ৮৫ শতাংশের বেশি আমদানিনির্ভর। এই প্রকল্পের আওতায় ৬ লাখ টন গুরুত্বপূর্ণ সার আমদানি করা হবে, যার অর্ধেকই ইউরিয়া।অন্যদিকে, ‘কনটিনজেন্ট ইমার্জেন্সি রেসপন্স প্রজেক্ট’-এর আওতায় ৭১ কোটি ৩০ লাখ ডলার দ্রুত ছাড় করা হবে। এ অর্থ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের নগদ সহায়তা, জীবিকা পুনরুদ্ধার এবং খাদ্য, ওষুধ, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহের মতো জরুরি সেবা সচল রাখতে ব্যয় করা হবে।বিশ্বব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, এই সহায়তা দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং খাদ্য নিরাপত্তা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষি উৎপাদন এবং জীবিকা সুরক্ষায় প্রায় ১ দশমিক ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার জরুরি সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা।শুক্রবার দুটি পৃথক প্রকল্পের আওতায় এ অর্থায়নের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।সংস্থাটির বাংলাদেশ ও ভুটানবিষয়ক বিভাগীয় পরিচালক জ্যাঁ পেসমে বলেছেন, এই সহায়তার মাধ্যমে ধান উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সারের সরবরাহ নিশ্চিত করা, মানুষের জীবিকা ও কর্মসংস্থান রক্ষা এবং জরুরি সেবা অব্যাহত রাখতে সহায়তা করা হবে।অনুমোদিত অর্থের মধ্যে ‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট ফর ফুড সিকিউরিটি প্রজেক্ট’-এর আওতায় ৩০ কোটি ডলার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, ৩১জুলাই পর্যন্ত আমবাজার এলাকায় শনিবারও চালু থাকবে ব্যাংকিং সেবা
এই অর্থ দিয়ে ২০২৬ সালের আমন ও বোরো মৌসুমের জন্য প্রয়োজনীয় সার আমদানিতে সহায়তা করা হবে।বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, বাংলাদেশের মোট সারের চাহিদার ৮৫ শতাংশের বেশি আমদানিনির্ভর। এই প্রকল্পের আওতায় ৬ লাখ টন গুরুত্বপূর্ণ সার আমদানি করা হবে, যার অর্ধেকই ইউরিয়া।অন্যদিকে, ‘কনটিনজেন্ট ইমার্জেন্সি রেসপন্স প্রজেক্ট’-এর আওতায় ৭১ কোটি ৩০ লাখ ডলার দ্রুত ছাড় করা হবে। এ অর্থ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের নগদ সহায়তা, জীবিকা পুনরুদ্ধার এবং খাদ্য, ওষুধ, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহের মতো জরুরি সেবা সচল রাখতে ব্যয় করা হবে।বিশ্বব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, এই সহায়তা দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং খাদ্য নিরাপত্তা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন