হিন্দি সিনেমা দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু হলেও তেলুগু ছবির হাত ধরেই তারকা হয়ে ওঠেন অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া। প্রায় দুই দশকের ক্যারিয়ারে দক্ষিণ ভারতীয় ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম জনপ্রিয় মুখে পরিণত হওয়া এই অভিনেত্রী এবার সেখানকার কাজের পরিবেশ নিয়ে খোলামেলা মন্তব্য করেছেন। তার ভাষ্য—দক্ষিণী চলচ্চিত্রশিল্প কিছুটা পুরুষতান্ত্রিক, আর নারীদের প্রতি সেখানে এক ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি কাজ করে, যা খুব ইতিবাচক নয়।সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তামান্না বলেন, হিন্দি চলচ্চিত্রশিল্পে মূলত দুই ধরনের অভিনেতা-অভিনেত্রী দেখা যায়। কেউ অভিনয়নির্ভর, শিল্পঘেঁষা চরিত্রে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, আবার কেউ গ্ল্যামার, গান ও নাচ—দুই ধারার কাজেই সমানভাবে সক্রিয়। বলিউডের ইতিবাচক দিক হলো, এখানে এই দুই ধরনের শিল্পীর জন্যই জায়গা আছে। আর যারা অভিনয় ও গ্ল্যামার—দুই দিকই সামলাতে পারেন, তারাই শেষ পর্যন্ত সুপারস্টার হয়ে ওঠেন।অন্যদিকে দক্ষিণ ভারতীয় ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে নিজের পর্যবেক্ষণে তামান্না বলেন, সেখানে এক ধরনের বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে, যেটিকে কিছুটা পুরুষতান্ত্রিক বলা যায়। তার মতে, নারীদের প্রতি সেই দৃষ্টিভঙ্গি খুব একটা প্রশংসাসূচক বা ইতিবাচক নয়।
আরও পড়ুন, প্রশংসায় ভাসছেন সুনেরাহ
যদিও দক্ষিণী সিনেমার সংগীতনির্ভরতা ও তারকাসুলভ উপস্থাপনার বিষয়টি তিনি বুঝতে পেরেছেন বলেও জানান। তার ভাষায়, বাণিজ্যিক সাফল্যের দিক থেকে অনেক সময় এই ইন্ডাস্ট্রি কিছুটা সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে।তবে তামান্না স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এটি তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণ। অন্যদের অভিজ্ঞতা ভিন্নও হতে পারে। একই সঙ্গে তিনি মনে করেন, যেসব অভিনেত্রী ১০ থেকে ১৫ বছর বা তারও বেশি সময় ধরে ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে আছেন, তারা অভিনয়নির্ভর ছবির পাশাপাশি নাচ-গানের বাণিজ্যিক ছবিতেও সমান দক্ষতা দেখাতে পেরেছেন বলেই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে সক্ষম হয়েছেন।বর্তমানে তামান্না অপেক্ষা করছেন তার নতুন ছবি ‘বিবান: ফোর্স অব দ্য ফরেস্ট’-এর মুক্তির। আগামী ২৬ আগস্ট ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে তার এই মন্তব্য এখন বিনোদন অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বিষয় : ক্যারিয়ার দৃষ্টিভঙ্গি

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
হিন্দি সিনেমা দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু হলেও তেলুগু ছবির হাত ধরেই তারকা হয়ে ওঠেন অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া। প্রায় দুই দশকের ক্যারিয়ারে দক্ষিণ ভারতীয় ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম জনপ্রিয় মুখে পরিণত হওয়া এই অভিনেত্রী এবার সেখানকার কাজের পরিবেশ নিয়ে খোলামেলা মন্তব্য করেছেন। তার ভাষ্য—দক্ষিণী চলচ্চিত্রশিল্প কিছুটা পুরুষতান্ত্রিক, আর নারীদের প্রতি সেখানে এক ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি কাজ করে, যা খুব ইতিবাচক নয়।সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তামান্না বলেন, হিন্দি চলচ্চিত্রশিল্পে মূলত দুই ধরনের অভিনেতা-অভিনেত্রী দেখা যায়। কেউ অভিনয়নির্ভর, শিল্পঘেঁষা চরিত্রে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, আবার কেউ গ্ল্যামার, গান ও নাচ—দুই ধারার কাজেই সমানভাবে সক্রিয়। বলিউডের ইতিবাচক দিক হলো, এখানে এই দুই ধরনের শিল্পীর জন্যই জায়গা আছে। আর যারা অভিনয় ও গ্ল্যামার—দুই দিকই সামলাতে পারেন, তারাই শেষ পর্যন্ত সুপারস্টার হয়ে ওঠেন।অন্যদিকে দক্ষিণ ভারতীয় ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে নিজের পর্যবেক্ষণে তামান্না বলেন, সেখানে এক ধরনের বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে, যেটিকে কিছুটা পুরুষতান্ত্রিক বলা যায়। তার মতে, নারীদের প্রতি সেই দৃষ্টিভঙ্গি খুব একটা প্রশংসাসূচক বা ইতিবাচক নয়।
আরও পড়ুন, প্রশংসায় ভাসছেন সুনেরাহ
যদিও দক্ষিণী সিনেমার সংগীতনির্ভরতা ও তারকাসুলভ উপস্থাপনার বিষয়টি তিনি বুঝতে পেরেছেন বলেও জানান। তার ভাষায়, বাণিজ্যিক সাফল্যের দিক থেকে অনেক সময় এই ইন্ডাস্ট্রি কিছুটা সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে।তবে তামান্না স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এটি তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণ। অন্যদের অভিজ্ঞতা ভিন্নও হতে পারে। একই সঙ্গে তিনি মনে করেন, যেসব অভিনেত্রী ১০ থেকে ১৫ বছর বা তারও বেশি সময় ধরে ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে আছেন, তারা অভিনয়নির্ভর ছবির পাশাপাশি নাচ-গানের বাণিজ্যিক ছবিতেও সমান দক্ষতা দেখাতে পেরেছেন বলেই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে সক্ষম হয়েছেন।বর্তমানে তামান্না অপেক্ষা করছেন তার নতুন ছবি ‘বিবান: ফোর্স অব দ্য ফরেস্ট’-এর মুক্তির। আগামী ২৬ আগস্ট ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে তার এই মন্তব্য এখন বিনোদন অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন