ঈদুল আজহার পর দেশে ব্রয়লার মুরগির বাজারে ব্যাপক দরপতন দেখা দিয়েছে। চাহিদা কমে যাওয়ায় কেজিপ্রতি দাম নেমে আসায় হাজার হাজার প্রান্তিক পোল্ট্রি খামারি লোকসানের মুখে পড়েছেন।খামারি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কোরবানির পর অনেক পরিবারে মাংস মজুত থাকায় বাজারে মুরগির চাহিদা স্বাভাবিকভাবেই কমে গেছে। একইসঙ্গে ফিডসহ উৎপাদন উপকরণের দাম বেশি থাকায় উৎপাদন খরচ কমানো সম্ভব হচ্ছে না।বর্তমানে উত্তরাঞ্চলে ব্রয়লার মুরগির উৎপাদন খরচ প্রতি কেজি প্রায় ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা হলেও বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকায়। ফলে প্রতি কেজিতে গড়ে ২০ টাকা পর্যন্ত লোকসান গুনতে হচ্ছে খামারিদের।
আরও পড়ুন, ঋণের অর্থছাড় কমেছে, বেড়েছে সুদ-আসল পরিশোধ
পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁওসহ বিভিন্ন জেলার খামারিরা জানান, ছোট খামার থেকে শুরু করে বড় খামার—সবখানেই এখন লোকসান চলছে। কেউ কেউ ঋণের বোঝায় জর্জরিত হয়ে খামার বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছেন।ব্যবসায়ীরা বলছেন, কোরবানির পর মাছ ও সবজির দাম কম থাকায় মুরগির বিকল্প প্রোটিন হিসেবে চাহিদা আরও কমে গেছে। ফলে পাইকারি বাজারেও মুরগির সরবরাহ কমে এসেছে।হ্যাচারি ও ফিড শিল্পও এই দরপতনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাজার স্থিতিশীল না হলে পুরো পোল্ট্রি খাত সংকটে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিষয় : মুরগির দাম দরপতন ব্রয়লার

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
ঈদুল আজহার পর দেশে ব্রয়লার মুরগির বাজারে ব্যাপক দরপতন দেখা দিয়েছে। চাহিদা কমে যাওয়ায় কেজিপ্রতি দাম নেমে আসায় হাজার হাজার প্রান্তিক পোল্ট্রি খামারি লোকসানের মুখে পড়েছেন।খামারি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কোরবানির পর অনেক পরিবারে মাংস মজুত থাকায় বাজারে মুরগির চাহিদা স্বাভাবিকভাবেই কমে গেছে। একইসঙ্গে ফিডসহ উৎপাদন উপকরণের দাম বেশি থাকায় উৎপাদন খরচ কমানো সম্ভব হচ্ছে না।বর্তমানে উত্তরাঞ্চলে ব্রয়লার মুরগির উৎপাদন খরচ প্রতি কেজি প্রায় ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা হলেও বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকায়। ফলে প্রতি কেজিতে গড়ে ২০ টাকা পর্যন্ত লোকসান গুনতে হচ্ছে খামারিদের।
আরও পড়ুন, ঋণের অর্থছাড় কমেছে, বেড়েছে সুদ-আসল পরিশোধ
পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁওসহ বিভিন্ন জেলার খামারিরা জানান, ছোট খামার থেকে শুরু করে বড় খামার—সবখানেই এখন লোকসান চলছে। কেউ কেউ ঋণের বোঝায় জর্জরিত হয়ে খামার বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছেন।ব্যবসায়ীরা বলছেন, কোরবানির পর মাছ ও সবজির দাম কম থাকায় মুরগির বিকল্প প্রোটিন হিসেবে চাহিদা আরও কমে গেছে। ফলে পাইকারি বাজারেও মুরগির সরবরাহ কমে এসেছে।হ্যাচারি ও ফিড শিল্পও এই দরপতনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাজার স্থিতিশীল না হলে পুরো পোল্ট্রি খাত সংকটে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন