চীন সফরকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদারের আশা প্রকাশ করেছে বেইজিং।চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল বর্তমানে চীন সফরে রয়েছে। সফরকালে প্রতিনিধি দলটি দালিয়ান শহরে অনুষ্ঠিত সামার দাভোস ২০২৬ সম্মেলনে অংশ নেবে এবং চীনের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবে।চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের রাজনৈতিক আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারিত হবে।
আরও পড়ুন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় বিশেষ টাস্কফোর্স, মাঠপর্যায়ে নজরদারি জোরদারের নির্দেশ
তিনি আরও বলেন, চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক ঐতিহ্যগতভাবে বন্ধুত্বপূর্ণ এবং বর্তমানে তা ব্যাপক কৌশলগত সহযোগিতার পর্যায়ে রয়েছে। বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের আওতায় অবকাঠামো, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা আরও জোরদার করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।চীনা পক্ষ আশা প্রকাশ করে জানায়, এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ আরও শক্তিশালী হবে এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে পারস্পরিক সমন্বয় বাড়বে।সফরকালে চীনের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নিয়ে আলোচনা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
বিষয় : সহযোগিতা চীন সফর অংশীদারত্ব

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
চীন সফরকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদারের আশা প্রকাশ করেছে বেইজিং।চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল বর্তমানে চীন সফরে রয়েছে। সফরকালে প্রতিনিধি দলটি দালিয়ান শহরে অনুষ্ঠিত সামার দাভোস ২০২৬ সম্মেলনে অংশ নেবে এবং চীনের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবে।চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের রাজনৈতিক আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারিত হবে।
আরও পড়ুন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় বিশেষ টাস্কফোর্স, মাঠপর্যায়ে নজরদারি জোরদারের নির্দেশ
তিনি আরও বলেন, চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক ঐতিহ্যগতভাবে বন্ধুত্বপূর্ণ এবং বর্তমানে তা ব্যাপক কৌশলগত সহযোগিতার পর্যায়ে রয়েছে। বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের আওতায় অবকাঠামো, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা আরও জোরদার করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।চীনা পক্ষ আশা প্রকাশ করে জানায়, এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ আরও শক্তিশালী হবে এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে পারস্পরিক সমন্বয় বাড়বে।সফরকালে চীনের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নিয়ে আলোচনা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন