দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
আপডেট : শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬

দুই এলএনজি টার্মিনাল চালু, ২৫ দিনের গ্যাস সংকট শেষে স্বস্তির নিশ্বাস

দুই এলএনজি টার্মিনাল চালু, ২৫ দিনের গ্যাস সংকট শেষে স্বস্তির নিশ্বাস
২৫ দিনের গ্যাস সংকট শেষে স্বস্তির নিশ্বাস

টানা ২৫ দিনের তীব্র গ্যাস-সংকটের পর দেশে কিছুটা স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে। মহেশখালীর দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের মধ্যে সামিট পূর্ণ সক্ষমতায় এবং এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল আংশিক সক্ষমতায় চালু হওয়ায় শনিবার ভোর থেকে গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমানে সামিটের টার্মিনাল থেকে ঘণ্টায় প্রায় ৪৬ কোটি ঘনফুট এবং এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকে ৩০ কোটি ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। ফলে দেশের মোট গ্যাস সরবরাহ বেড়ে প্রায় ২৪০ কোটি ঘনফুটে পৌঁছেছে।গত ২১ জুলাই এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর দেশে গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়।

আরও  পড়ুননিউরোসায়েন্স চিকিৎসায় বড় অগ্রগতি, শয্যার হাসপাতালের নতুন ভবন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

 এর প্রভাব পড়ে শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন, সিএনজি স্টেশন এবং আবাসিক গ্রাহকদের ওপর। অনেক এলাকায় রান্নার গ্যাস না থাকায় ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. আবদুল মান্নান জানিয়েছেন, দুটি টার্মিনাল থেকেই বর্তমানে গ্যাস সরবরাহ চলছে। সরবরাহ বাড়ায় পরিস্থিতির উন্নতি হবে এবং গ্রাহকরা ধীরে ধীরে স্বস্তি পাবেন।তবে সংকট এখনো পুরোপুরি কাটেনি। দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট হলেও বর্তমানে সরবরাহ হচ্ছে প্রায় ২৪০ কোটি ঘনফুট। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এক্সিলারেট এনার্জির ক্ষতিগ্রস্ত বয়লার মেরামত শেষে পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হলে গ্যাস সরবরাহ আরও বাড়বে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করবে।

বিষয় : এলএনজি টার্মিনাল গ্যাস-সংকট স্বস্তির নিশ্বাস

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬


দুই এলএনজি টার্মিনাল চালু, ২৫ দিনের গ্যাস সংকট শেষে স্বস্তির নিশ্বাস

প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬

featured Image

টানা ২৫ দিনের তীব্র গ্যাস-সংকটের পর দেশে কিছুটা স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে। মহেশখালীর দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের মধ্যে সামিট পূর্ণ সক্ষমতায় এবং এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল আংশিক সক্ষমতায় চালু হওয়ায় শনিবার ভোর থেকে গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমানে সামিটের টার্মিনাল থেকে ঘণ্টায় প্রায় ৪৬ কোটি ঘনফুট এবং এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকে ৩০ কোটি ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। ফলে দেশের মোট গ্যাস সরবরাহ বেড়ে প্রায় ২৪০ কোটি ঘনফুটে পৌঁছেছে।গত ২১ জুলাই এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর দেশে গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়।

আরও  পড়ুননিউরোসায়েন্স চিকিৎসায় বড় অগ্রগতি, শয্যার হাসপাতালের নতুন ভবন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

 এর প্রভাব পড়ে শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন, সিএনজি স্টেশন এবং আবাসিক গ্রাহকদের ওপর। অনেক এলাকায় রান্নার গ্যাস না থাকায় ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. আবদুল মান্নান জানিয়েছেন, দুটি টার্মিনাল থেকেই বর্তমানে গ্যাস সরবরাহ চলছে। সরবরাহ বাড়ায় পরিস্থিতির উন্নতি হবে এবং গ্রাহকরা ধীরে ধীরে স্বস্তি পাবেন।তবে সংকট এখনো পুরোপুরি কাটেনি। দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট হলেও বর্তমানে সরবরাহ হচ্ছে প্রায় ২৪০ কোটি ঘনফুট। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এক্সিলারেট এনার্জির ক্ষতিগ্রস্ত বয়লার মেরামত শেষে পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হলে গ্যাস সরবরাহ আরও বাড়বে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করবে।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত