সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেলের খসড়া প্রস্তাব এখন মন্ত্রিসভার অনুমোদনের অপেক্ষায়। মন্ত্রিসভা সচিবের নেতৃত্বাধীন সচিব কমিটি প্রস্তাবটি নীতিগতভাবে চূড়ান্ত করেছে এবং প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি মিললে চলতি সপ্তাহেই এটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হতে পারে।খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী, সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। তবে সব গ্রেডে সমান হারে বেতন বাড়ানো হবে না। নিম্ন গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন তুলনামূলক বেশি হারে বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছে সচিব কমিটি।
আরও পড়ুন, দেশে বাড়ছে হামের প্রকোপ, একদিনে ৭৯৮ শিশু আক্রান্ত
প্রস্তাবে নবম পে স্কেল দুই ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথম ধাপে বাড়ানো হবে মূল বেতন এবং দ্বিতীয় ধাপে ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা সমন্বয় করা হবে।পরিকল্পনা অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই থেকে আংশিক বাস্তবায়ন শুরু হতে পারে এবং ২০২৮ সালের জানুয়ারির মধ্যে পূর্ণ বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।তবে বিচার বিভাগ-সংক্রান্ত কিছু জটিলতা থাকায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি বিষয়টি পর্যালোচনা করছে।মন্ত্রিসভার অনুমোদন মিললে সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামো, ভাতা এবং বাস্তবায়নের সময়সূচি সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।
বিষয় : অনুমোদনহীন চাকরিজীবীরা পে স্কেল

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেলের খসড়া প্রস্তাব এখন মন্ত্রিসভার অনুমোদনের অপেক্ষায়। মন্ত্রিসভা সচিবের নেতৃত্বাধীন সচিব কমিটি প্রস্তাবটি নীতিগতভাবে চূড়ান্ত করেছে এবং প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি মিললে চলতি সপ্তাহেই এটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হতে পারে।খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী, সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। তবে সব গ্রেডে সমান হারে বেতন বাড়ানো হবে না। নিম্ন গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন তুলনামূলক বেশি হারে বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছে সচিব কমিটি।
আরও পড়ুন, দেশে বাড়ছে হামের প্রকোপ, একদিনে ৭৯৮ শিশু আক্রান্ত
প্রস্তাবে নবম পে স্কেল দুই ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথম ধাপে বাড়ানো হবে মূল বেতন এবং দ্বিতীয় ধাপে ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা সমন্বয় করা হবে।পরিকল্পনা অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই থেকে আংশিক বাস্তবায়ন শুরু হতে পারে এবং ২০২৮ সালের জানুয়ারির মধ্যে পূর্ণ বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।তবে বিচার বিভাগ-সংক্রান্ত কিছু জটিলতা থাকায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি বিষয়টি পর্যালোচনা করছে।মন্ত্রিসভার অনুমোদন মিললে সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামো, ভাতা এবং বাস্তবায়নের সময়সূচি সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন