দেশের শেয়ারবাজারে আবারও বড় দরপতন দেখা দিয়েছে। গত সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক একদিনেই ৮৫ পয়েন্ট কমেছে। এতে চলতি সপ্তাহের প্রথম দুই দিনই বাজারে পতন দেখা গেল।সূচকের পাশাপাশি কমেছে লেনদেনের পরিমাণও। গতকাল ডিএসইতে লেনদেন নেমে আসে ৮৭৬ কোটি টাকায়, যা টানা ১৪ কার্যদিবস পর হাজার কোটি টাকার নিচে নেমেছে।বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ভালো-মন্দ সব শেয়ারে ঢালাও দরপতনের কারণে বিনিয়োগকারীরা সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন, ফলে লেনদেন কমেছে।তবে বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশনের (আইসিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, বাজারে বড় দরপতনের কোনো মৌলিক কারণ নেই। সম্প্রতি ঝুঁকিপূর্ণ কোম্পানির তালিকা প্রকাশের প্রভাব থাকতে পারে বলে তিনি মনে করেন।
আরও পড়ুন , পুঁজিবাজারে বড় পতন, ডিএসইতে লেনদেনও কমেছে
একই সঙ্গে ভালো কোম্পানি বাছাই করে বিনিয়োগের পরামর্শ দেন তিনি।অন্যদিকে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ডিবিএ) প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম বলেন, এটি স্বাভাবিক দরপতন। দীর্ঘ সময় বাজার ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর বিনিয়োগকারীরা মুনাফা তুলে নেওয়ায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।দিনভর লেনদেনে শুরুতে সূচক কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও পরে দ্রুত পতন শুরু হয়। শেষ দেড় ঘণ্টায় বিক্রির চাপ বেড়ে গেলে সূচক আরও নিচে নেমে যায়।দিন শেষে ডিএসইতে মাত্র ৩৬টি কোম্পানির শেয়ার দর বেড়েছে, কমেছে ৩১৯টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩৪টির।এদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও বড় দরপতন হয়েছে। সিএসইর সার্বিক সূচক কমেছে ১৬৭ পয়েন্ট, যদিও সেখানে লেনদেন বেড়ে ৭৪ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।
বিষয় : শেয়ারবাজারে ডিএসই সূচক ৮৫ পয়েন্ট

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
দেশের শেয়ারবাজারে আবারও বড় দরপতন দেখা দিয়েছে। গত সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক একদিনেই ৮৫ পয়েন্ট কমেছে। এতে চলতি সপ্তাহের প্রথম দুই দিনই বাজারে পতন দেখা গেল।সূচকের পাশাপাশি কমেছে লেনদেনের পরিমাণও। গতকাল ডিএসইতে লেনদেন নেমে আসে ৮৭৬ কোটি টাকায়, যা টানা ১৪ কার্যদিবস পর হাজার কোটি টাকার নিচে নেমেছে।বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ভালো-মন্দ সব শেয়ারে ঢালাও দরপতনের কারণে বিনিয়োগকারীরা সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন, ফলে লেনদেন কমেছে।তবে বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশনের (আইসিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, বাজারে বড় দরপতনের কোনো মৌলিক কারণ নেই। সম্প্রতি ঝুঁকিপূর্ণ কোম্পানির তালিকা প্রকাশের প্রভাব থাকতে পারে বলে তিনি মনে করেন।
আরও পড়ুন , পুঁজিবাজারে বড় পতন, ডিএসইতে লেনদেনও কমেছে
একই সঙ্গে ভালো কোম্পানি বাছাই করে বিনিয়োগের পরামর্শ দেন তিনি।অন্যদিকে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ডিবিএ) প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম বলেন, এটি স্বাভাবিক দরপতন। দীর্ঘ সময় বাজার ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর বিনিয়োগকারীরা মুনাফা তুলে নেওয়ায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।দিনভর লেনদেনে শুরুতে সূচক কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও পরে দ্রুত পতন শুরু হয়। শেষ দেড় ঘণ্টায় বিক্রির চাপ বেড়ে গেলে সূচক আরও নিচে নেমে যায়।দিন শেষে ডিএসইতে মাত্র ৩৬টি কোম্পানির শেয়ার দর বেড়েছে, কমেছে ৩১৯টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩৪টির।এদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও বড় দরপতন হয়েছে। সিএসইর সার্বিক সূচক কমেছে ১৬৭ পয়েন্ট, যদিও সেখানে লেনদেন বেড়ে ৭৪ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন