বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ব্যয় উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসেই বিদেশে উচ্চশিক্ষায় ব্যয় হয়েছে ৭৩ কোটি ডলারের বেশি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকার সমান।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, কয়েক বছর ধরেই বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য অর্থ পাঠানোর পরিমাণ দ্রুত বাড়ছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে যেখানে এ ব্যয় ছিল প্রায় ২২ কোটি ডলার, সেখানে চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসেই তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩ কোটি ডলারে। অর্থাৎ মাত্র ছয় বছরে এ ব্যয় বেড়েছে তিন গুণেরও বেশি।বিশেষজ্ঞরা বলছেন,
আরও পড়ুন, ব্যাংকিং খাতে নেট ইন্টারেস্ট মার্জিন ঋণাত্মক, মুনাফা ও স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ
দেশের উচ্চশিক্ষা খাতে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধার অভাব, আন্তর্জাতিক মানের গবেষণার সীমাবদ্ধতা এবং কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তার কারণে শিক্ষার্থীরা ক্রমেই বিদেশমুখী হচ্ছেন।ইউনেস্কোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে বাংলাদেশ থেকে ৫২ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী বিশ্বের ৫৫টি দেশে উচ্চশিক্ষার জন্য গেছেন। এক দশক আগে এ সংখ্যা ছিল মাত্র ২৪ হাজার।বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, দেশে মানসম্মত শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ না বাড়ালে একদিকে যেমন বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ বাড়বে, অন্যদিকে মেধা পাচারও আরও ত্বরান্বিত হবে।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ব্যয় উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসেই বিদেশে উচ্চশিক্ষায় ব্যয় হয়েছে ৭৩ কোটি ডলারের বেশি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকার সমান।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, কয়েক বছর ধরেই বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য অর্থ পাঠানোর পরিমাণ দ্রুত বাড়ছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে যেখানে এ ব্যয় ছিল প্রায় ২২ কোটি ডলার, সেখানে চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসেই তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩ কোটি ডলারে। অর্থাৎ মাত্র ছয় বছরে এ ব্যয় বেড়েছে তিন গুণেরও বেশি।বিশেষজ্ঞরা বলছেন,
আরও পড়ুন, ব্যাংকিং খাতে নেট ইন্টারেস্ট মার্জিন ঋণাত্মক, মুনাফা ও স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ
দেশের উচ্চশিক্ষা খাতে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধার অভাব, আন্তর্জাতিক মানের গবেষণার সীমাবদ্ধতা এবং কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তার কারণে শিক্ষার্থীরা ক্রমেই বিদেশমুখী হচ্ছেন।ইউনেস্কোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে বাংলাদেশ থেকে ৫২ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী বিশ্বের ৫৫টি দেশে উচ্চশিক্ষার জন্য গেছেন। এক দশক আগে এ সংখ্যা ছিল মাত্র ২৪ হাজার।বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, দেশে মানসম্মত শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ না বাড়ালে একদিকে যেমন বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ বাড়বে, অন্যদিকে মেধা পাচারও আরও ত্বরান্বিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন