প্রাচীনকাল থেকেই রান্নার মসলা ও ভেষজ উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে কাঁচা হলুদ। বর্তমানে অনেকেই স্বাস্থ্য সচেতনতার অংশ হিসেবে সকালে খালি পেটে এক টুকরো কাঁচা হলুদ চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলেছেন।বিশেষজ্ঞদের মতে, কাঁচা হলুদে থাকা কারকিউমিন নামক উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে গ্রহণ করলে মৌসুমি সর্দি-কাশি ও বিভিন্ন সংক্রমণের ঝুঁকি কিছুটা কমতে পারে।এছাড়া কাঁচা হলুদ হজম প্রক্রিয়া সচল রাখতে সাহায্য করে।
আরও পড়ুন , তীব্র গরমে সুস্থ থাকার সহজ উপায়, জীবনযাত্রায় ছোট পরিবর্তনেই বড় সুরক্ষা
পেট ফাঁপা, গ্যাস ও বদহজমের মতো সমস্যাও কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে।শুধু তাই নয়, শরীরের বিভিন্ন ধরনের প্রদাহ কমাতে এবং জয়েন্টের ব্যথা ও ফোলাভাব হ্রাস করতেও কাঁচা হলুদ উপকারী হতে পারে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।এদিকে কাঁচা হলুদ শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদান বের করতে সহায়তা করে ত্বককে সতেজ ও উজ্জ্বল রাখতে ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি লিভারের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখা এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও এটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যাদের পিত্তথলির সমস্যা, কিডনিতে পাথর অথবা যারা রক্ত পাতলা করার ওষুধ সেবন করেন, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত কাঁচা হলুদ খাওয়া উচিত নয়।

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
প্রাচীনকাল থেকেই রান্নার মসলা ও ভেষজ উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে কাঁচা হলুদ। বর্তমানে অনেকেই স্বাস্থ্য সচেতনতার অংশ হিসেবে সকালে খালি পেটে এক টুকরো কাঁচা হলুদ চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলেছেন।বিশেষজ্ঞদের মতে, কাঁচা হলুদে থাকা কারকিউমিন নামক উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে গ্রহণ করলে মৌসুমি সর্দি-কাশি ও বিভিন্ন সংক্রমণের ঝুঁকি কিছুটা কমতে পারে।এছাড়া কাঁচা হলুদ হজম প্রক্রিয়া সচল রাখতে সাহায্য করে।
আরও পড়ুন , তীব্র গরমে সুস্থ থাকার সহজ উপায়, জীবনযাত্রায় ছোট পরিবর্তনেই বড় সুরক্ষা
পেট ফাঁপা, গ্যাস ও বদহজমের মতো সমস্যাও কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে।শুধু তাই নয়, শরীরের বিভিন্ন ধরনের প্রদাহ কমাতে এবং জয়েন্টের ব্যথা ও ফোলাভাব হ্রাস করতেও কাঁচা হলুদ উপকারী হতে পারে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।এদিকে কাঁচা হলুদ শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদান বের করতে সহায়তা করে ত্বককে সতেজ ও উজ্জ্বল রাখতে ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি লিভারের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখা এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও এটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যাদের পিত্তথলির সমস্যা, কিডনিতে পাথর অথবা যারা রক্ত পাতলা করার ওষুধ সেবন করেন, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত কাঁচা হলুদ খাওয়া উচিত নয়।

আপনার মতামত লিখুন