দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার সেতাবগঞ্জ পৌর এলাকার রামদাসপাড়ায় ডিএন অটো রাইস মিলের স্বত্বাধিকারী মোস্তাফিজুর রহমানের মৃত্যু ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।নিহত মোস্তাফিজুর রহমান সেতাবগঞ্জ পৌরসভার প্রয়াত চিকিৎসক নিয়াজ উদ্দিনের ছেলে এবং স্থানীয়ভাবে পরিচিত ব্যবসায়ী ছিলেন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে বোচাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য দিনাজপুরে স্থানান্তর করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।ঘটনার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি ছড়িয়ে পড়ে যে, তার সাবেক স্ত্রী ও আলোচিত টিকটকার শিল্পী এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত। তবে পুলিশ এখনো এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত মন্তব্য করেনি।
আরও পড়ুন , সাভার সদর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক মডেল ইউনিয়ন পরিষদ হিসেবে গড়েতে চাই- ইমতিয়াজ আহম্মেদ শাহীন
ঘটনার পর দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল থেকে শিল্পীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সহকারী পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এটিকে হত্যা বলে নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের পর বিস্তারিত জানানো হবে।”তিনি জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গেছে, মোস্তাফিজুর রহমান ও তার সাবেক স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ ছিল। বিচ্ছেদের পরও তাদের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত ছিল।পুলিশ বলছে, পরিবারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।এদিকে ঘটনাটি নিয়ে পুরো সেতাবগঞ্জ এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। পুলিশ বলছে, গুজব বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্যের ওপর নির্ভর না করে তদন্তের ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করা উচিত।
বিষয় : সাবেক স্ত্রী রগ কাটা রাইস মিল মালিকে

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার সেতাবগঞ্জ পৌর এলাকার রামদাসপাড়ায় ডিএন অটো রাইস মিলের স্বত্বাধিকারী মোস্তাফিজুর রহমানের মৃত্যু ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।নিহত মোস্তাফিজুর রহমান সেতাবগঞ্জ পৌরসভার প্রয়াত চিকিৎসক নিয়াজ উদ্দিনের ছেলে এবং স্থানীয়ভাবে পরিচিত ব্যবসায়ী ছিলেন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে বোচাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য দিনাজপুরে স্থানান্তর করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।ঘটনার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি ছড়িয়ে পড়ে যে, তার সাবেক স্ত্রী ও আলোচিত টিকটকার শিল্পী এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত। তবে পুলিশ এখনো এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত মন্তব্য করেনি।
আরও পড়ুন , সাভার সদর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক মডেল ইউনিয়ন পরিষদ হিসেবে গড়েতে চাই- ইমতিয়াজ আহম্মেদ শাহীন
ঘটনার পর দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল থেকে শিল্পীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সহকারী পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এটিকে হত্যা বলে নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের পর বিস্তারিত জানানো হবে।”তিনি জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গেছে, মোস্তাফিজুর রহমান ও তার সাবেক স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ ছিল। বিচ্ছেদের পরও তাদের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত ছিল।পুলিশ বলছে, পরিবারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।এদিকে ঘটনাটি নিয়ে পুরো সেতাবগঞ্জ এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। পুলিশ বলছে, গুজব বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্যের ওপর নির্ভর না করে তদন্তের ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করা উচিত।

আপনার মতামত লিখুন