১৩ জুন শনিবার সকালে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে মোঃ আব্দুল জলিল এক ভিডিও বক্তব্যে তিনি এ বিষয়ে জানান। জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর এলাকায় মৃত শমসের মন্ডলের ছেলে মোঃ আব্দুল জলিল (৬০) গংদের নিকট হইতে পাশাপাশি বসবাসরত মৃত শামসুল মন্ডলের ছেলে মো: সাইফুল ইসলাম গংরা ক্রয়কৃত ১৮ শতাংশ জমি ভোগ দখল, নিজ নামে নামজারি করার পরও অন্যদাগে জমি দখল করে হামলা ও মিথ্যা মামলায় হয়রানি করেছে বলে আব্দুল জলিল অভিযোগ তুলেছে।সরেজমিনে জানা যায়, সাবেক ৬৩২ নং হাল ১৫১২ নং দাগ হইতে ১৮ শতাংশ জমি নিজ নামে নামজারি করার পরও ১৪৬৬ দাগে ১৮ শতাংশ জমি বেআইনিভাবে দখল করে পাট বপন করে।
আরও পড়ুন , মাদারগঞ্জে সুগনগরী বাঁধে সেতুর অভাবে দুর্ভোগে অর্ধলক্ষাধিক মানুষ
এ বিষয়ে আব্দুল আব্দুল জলিল গংরা বাঁধা দিতে গেলে হামলা ও মিথ্যা মামলার শিকার হন বলে আ: জলিলের পরিবার সূত্রে জানান। নালিশি ভূমির আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও সাইফুল গংরা পাট বপন করে এবং পরবর্তী সেই পাট নিজেরাই কর্তন করে আ: জলিল গংদের উপর মিথ্যা মামলা করেন বলে জানা যায়। এ বিষয়ে সাইফুল গংদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তারা কোনো সাড়া দেয় নি। এ ব্যাপারে বিজ্ঞ আদালতে সি, আর ৯৪ (১) ২০২৬ নং মামলা চলমান রয়েছে। আ: জলিল গংরা সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রশাসন ও মানবাধিকার সংস্থাসহ সকলের নিকট সুস্পষ্ট তদন্তের মাধ্যমে বিচারের জোর দাবি জানান।
বিষয় : বক্তব্যে জমি দখল মিথ্যা মামলা

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
১৩ জুন শনিবার সকালে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে মোঃ আব্দুল জলিল এক ভিডিও বক্তব্যে তিনি এ বিষয়ে জানান। জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর এলাকায় মৃত শমসের মন্ডলের ছেলে মোঃ আব্দুল জলিল (৬০) গংদের নিকট হইতে পাশাপাশি বসবাসরত মৃত শামসুল মন্ডলের ছেলে মো: সাইফুল ইসলাম গংরা ক্রয়কৃত ১৮ শতাংশ জমি ভোগ দখল, নিজ নামে নামজারি করার পরও অন্যদাগে জমি দখল করে হামলা ও মিথ্যা মামলায় হয়রানি করেছে বলে আব্দুল জলিল অভিযোগ তুলেছে।সরেজমিনে জানা যায়, সাবেক ৬৩২ নং হাল ১৫১২ নং দাগ হইতে ১৮ শতাংশ জমি নিজ নামে নামজারি করার পরও ১৪৬৬ দাগে ১৮ শতাংশ জমি বেআইনিভাবে দখল করে পাট বপন করে।
আরও পড়ুন , মাদারগঞ্জে সুগনগরী বাঁধে সেতুর অভাবে দুর্ভোগে অর্ধলক্ষাধিক মানুষ
এ বিষয়ে আব্দুল আব্দুল জলিল গংরা বাঁধা দিতে গেলে হামলা ও মিথ্যা মামলার শিকার হন বলে আ: জলিলের পরিবার সূত্রে জানান। নালিশি ভূমির আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও সাইফুল গংরা পাট বপন করে এবং পরবর্তী সেই পাট নিজেরাই কর্তন করে আ: জলিল গংদের উপর মিথ্যা মামলা করেন বলে জানা যায়। এ বিষয়ে সাইফুল গংদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তারা কোনো সাড়া দেয় নি। এ ব্যাপারে বিজ্ঞ আদালতে সি, আর ৯৪ (১) ২০২৬ নং মামলা চলমান রয়েছে। আ: জলিল গংরা সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রশাসন ও মানবাধিকার সংস্থাসহ সকলের নিকট সুস্পষ্ট তদন্তের মাধ্যমে বিচারের জোর দাবি জানান।

আপনার মতামত লিখুন