বগুড়ার গাবতলীতে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে তৈরি একটি অস্থায়ী সড়ক উন্নয়ন কার্যক্রম এখন জেলাজুড়ে আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সফরের পর সেই সড়কে বিছানো ইট তুলে নেওয়ায় তারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।জানা যায়, গাবতলীর বাগবাড়ী-সোনাহাটা সড়ক থেকে জিয়াবাড়ি পর্যন্ত ৫০০ মিটার সংযোগ সড়কটি কার্পেটিং করার জন্য ৮৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়া হলেও সীমানা জটিলতার কারণে কাজ শুরু হয়নি।এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে এলজিইডি দ্রুত ওই কাঁচা সড়কে ইট বিছিয়ে অস্থায়ীভাবে চলাচলের উপযোগী করে তোলে। স্থানীয় রাজনৈতিক ও ঠিকাদারি সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে ভাড়া নেওয়া ইট ব্যবহার করে প্রায় ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে কাজটি সম্পন্ন করা হয় বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন ,চাঁদা না পেয়ে যশোরে ব্যবসায়ীর বাড়িতে গুলিবর্ষণ, এলাকায় আতঙ্ক
তবে সফর শেষে কিছুদিনের মধ্যেই ওই ইটগুলো আবার তুলে নেওয়া হয়। এতে বর্ষার সময় সড়কটি আগের অবস্থায় ফিরে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে।এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ এটিকে প্রশাসনিক সমন্বয়ের ঘাটতি বলছেন, আবার কেউ এটিকে অস্থায়ী উন্নয়ন উদ্যোগ হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন।এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাসুদুজ্জামান বলেন, নিয়ম অনুযায়ী অস্থায়ীভাবে ভাড়া করা ইট দিয়ে সোলিং করা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে তা তুলে নেওয়া হয়েছে। তার দাবি, এটি কোনো অনিয়ম নয় বরং অস্থায়ী ব্যবস্থা।উপজেলা প্রকৌশলী সাজেদুর রহমান বলেন, সড়কের সীমানা জটিলতার কারণে স্থায়ী কাজ শুরু করা যায়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে কার্পেটিংয়ের কাজ শুরু হবে এবং আগামী অক্টোবরের মধ্যে প্রকল্প শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬
বগুড়ার গাবতলীতে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে তৈরি একটি অস্থায়ী সড়ক উন্নয়ন কার্যক্রম এখন জেলাজুড়ে আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সফরের পর সেই সড়কে বিছানো ইট তুলে নেওয়ায় তারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।জানা যায়, গাবতলীর বাগবাড়ী-সোনাহাটা সড়ক থেকে জিয়াবাড়ি পর্যন্ত ৫০০ মিটার সংযোগ সড়কটি কার্পেটিং করার জন্য ৮৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়া হলেও সীমানা জটিলতার কারণে কাজ শুরু হয়নি।এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে এলজিইডি দ্রুত ওই কাঁচা সড়কে ইট বিছিয়ে অস্থায়ীভাবে চলাচলের উপযোগী করে তোলে। স্থানীয় রাজনৈতিক ও ঠিকাদারি সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে ভাড়া নেওয়া ইট ব্যবহার করে প্রায় ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে কাজটি সম্পন্ন করা হয় বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন ,চাঁদা না পেয়ে যশোরে ব্যবসায়ীর বাড়িতে গুলিবর্ষণ, এলাকায় আতঙ্ক
তবে সফর শেষে কিছুদিনের মধ্যেই ওই ইটগুলো আবার তুলে নেওয়া হয়। এতে বর্ষার সময় সড়কটি আগের অবস্থায় ফিরে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে।এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ এটিকে প্রশাসনিক সমন্বয়ের ঘাটতি বলছেন, আবার কেউ এটিকে অস্থায়ী উন্নয়ন উদ্যোগ হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন।এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাসুদুজ্জামান বলেন, নিয়ম অনুযায়ী অস্থায়ীভাবে ভাড়া করা ইট দিয়ে সোলিং করা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে তা তুলে নেওয়া হয়েছে। তার দাবি, এটি কোনো অনিয়ম নয় বরং অস্থায়ী ব্যবস্থা।উপজেলা প্রকৌশলী সাজেদুর রহমান বলেন, সড়কের সীমানা জটিলতার কারণে স্থায়ী কাজ শুরু করা যায়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে কার্পেটিংয়ের কাজ শুরু হবে এবং আগামী অক্টোবরের মধ্যে প্রকল্প শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন