রাজধানীর মিরপুর মডেল থানায় ঘুস লেনদেনের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের পর মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রশাসনিকভাবে ‘ক্লোজড’ করা হয়েছে।ডিএমপি মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারের স্বাক্ষরিত আদেশে মিরপুর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক মেহেদী হাসান এবং সহকারী উপ-পরিদর্শক রেজাউল করিমকে তাদের কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। সেখানে তারা নিয়মিত হাজিরা দিয়ে দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন ,মিরপুরে চলন্ত বাইক আরোহীর মাথায় ইট ছুড়ে ছিনতাই, ভাইরাল ভিডিওতে চাঞ্চল্য
প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, মিরপুর এলাকার এক ব্যক্তিকে আটক করে তার পরিবারের কাছে অর্থ দাবি করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রথমে এক লাখ টাকা দাবি করা হলেও পরে ৫০ হাজার টাকায় সমঝোতার মাধ্যমে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে বাকি টাকার জন্যও চাপ প্রয়োগ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর প্রশাসনিক পর্যায়ে তৎপরতা শুরু হয়। পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত বা অভ্যন্তরীণ যাচাইয়ের প্রক্রিয়াও চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।তবে অভিযুক্ত এসআই মেহেদী হাসান অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।এদিকে, ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভ্যন্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠেছে।
বিষয় : প্রশাসনিক পদক্ষেপ দুই পুলিশ ঘুস কাণ্ড

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
রাজধানীর মিরপুর মডেল থানায় ঘুস লেনদেনের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের পর মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রশাসনিকভাবে ‘ক্লোজড’ করা হয়েছে।ডিএমপি মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারের স্বাক্ষরিত আদেশে মিরপুর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক মেহেদী হাসান এবং সহকারী উপ-পরিদর্শক রেজাউল করিমকে তাদের কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। সেখানে তারা নিয়মিত হাজিরা দিয়ে দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন ,মিরপুরে চলন্ত বাইক আরোহীর মাথায় ইট ছুড়ে ছিনতাই, ভাইরাল ভিডিওতে চাঞ্চল্য
প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, মিরপুর এলাকার এক ব্যক্তিকে আটক করে তার পরিবারের কাছে অর্থ দাবি করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রথমে এক লাখ টাকা দাবি করা হলেও পরে ৫০ হাজার টাকায় সমঝোতার মাধ্যমে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে বাকি টাকার জন্যও চাপ প্রয়োগ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর প্রশাসনিক পর্যায়ে তৎপরতা শুরু হয়। পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত বা অভ্যন্তরীণ যাচাইয়ের প্রক্রিয়াও চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।তবে অভিযুক্ত এসআই মেহেদী হাসান অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।এদিকে, ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভ্যন্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন