ঈদ, বিশ্ব ইজতেমা, ভর্তি পরীক্ষা কিংবা বড় রাজনৈতিক সমাবেশকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে ট্রেনের অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন এখন নিয়মিত চিত্রে পরিণত হয়েছে। আসন সংকটে অনেক যাত্রী বাধ্য হয়ে ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ করছেন, যা মারাত্মক দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি করছে।সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, সদ্য শেষ হওয়া ঈদযাত্রায় রেলপথে অন্তত ৩১টি দুর্ঘটনা ঘটেছে এবং এতে প্রাণ হারিয়েছেন ২৩ জন। এসব দুর্ঘটনার বড় অংশই ছাদে ঝুঁকিপূর্ণ ভ্রমণের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে ধারণা করা হচ্ছে।বাংলাদেশ রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, যাত্রী পরিবহনের জন্য মোট ২ হাজার ৬৪২টি কোচ থাকলেও এর একটি অংশ অচল। ফলে সীমিত সংখ্যক বগি দিয়েই বিপুল যাত্রী পরিবহন করতে হয়।
আরও পড়ুন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে
রেলওয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, ঈদের মতো সময়ে ট্রেনগুলোতে ধারণক্ষমতার দুই থেকে তিন গুণ বেশি যাত্রী ওঠেন। এতে শুধু নিরাপত্তা ঝুঁকি নয়, ট্রেনের যান্ত্রিক ক্ষয়ক্ষতিও বাড়ে।রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (রোলিং স্টক) ফকির মো. মহিউদ্দীন জানান, অতিরিক্ত ওজনের কারণে বগির স্প্রিং ও সেফটি যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বেড়ে যায়।এদিকে রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন বলেন, ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ সম্পূর্ণ বেআইনি ও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, যা দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু আইন প্রয়োগ নয়, যাত্রী চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কোচ ও ট্রেন সংখ্যা বাড়ানো জরুরি। নইলে প্রতি উৎসব মৌসুমেই একই সংকট ও ঝুঁকি থেকে যাবে।
আরও পড়ুন , দেশজুড়ে বজ্রবৃষ্টির আভাস, কোথাও কোথাও অব্যাহত মৃদু তাপপ্রবাহ
বিষয় : দুর্ঘটনা যাত্রীচাপে ঝুঁকিপূর্ণ ভ্রমণ

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
ঈদ, বিশ্ব ইজতেমা, ভর্তি পরীক্ষা কিংবা বড় রাজনৈতিক সমাবেশকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে ট্রেনের অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন এখন নিয়মিত চিত্রে পরিণত হয়েছে। আসন সংকটে অনেক যাত্রী বাধ্য হয়ে ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ করছেন, যা মারাত্মক দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি করছে।সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, সদ্য শেষ হওয়া ঈদযাত্রায় রেলপথে অন্তত ৩১টি দুর্ঘটনা ঘটেছে এবং এতে প্রাণ হারিয়েছেন ২৩ জন। এসব দুর্ঘটনার বড় অংশই ছাদে ঝুঁকিপূর্ণ ভ্রমণের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে ধারণা করা হচ্ছে।বাংলাদেশ রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, যাত্রী পরিবহনের জন্য মোট ২ হাজার ৬৪২টি কোচ থাকলেও এর একটি অংশ অচল। ফলে সীমিত সংখ্যক বগি দিয়েই বিপুল যাত্রী পরিবহন করতে হয়।
আরও পড়ুন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে
রেলওয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, ঈদের মতো সময়ে ট্রেনগুলোতে ধারণক্ষমতার দুই থেকে তিন গুণ বেশি যাত্রী ওঠেন। এতে শুধু নিরাপত্তা ঝুঁকি নয়, ট্রেনের যান্ত্রিক ক্ষয়ক্ষতিও বাড়ে।রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (রোলিং স্টক) ফকির মো. মহিউদ্দীন জানান, অতিরিক্ত ওজনের কারণে বগির স্প্রিং ও সেফটি যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বেড়ে যায়।এদিকে রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন বলেন, ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ সম্পূর্ণ বেআইনি ও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, যা দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু আইন প্রয়োগ নয়, যাত্রী চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কোচ ও ট্রেন সংখ্যা বাড়ানো জরুরি। নইলে প্রতি উৎসব মৌসুমেই একই সংকট ও ঝুঁকি থেকে যাবে।
আরও পড়ুন , দেশজুড়ে বজ্রবৃষ্টির আভাস, কোথাও কোথাও অব্যাহত মৃদু তাপপ্রবাহ

আপনার মতামত লিখুন