রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পূর্ণাঙ্গ নথিতে বিচারকের সই শেষে আজ হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স পাঠানোর কথা রয়েছে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপিতে সই করার পর মামলার নথি উচ্চ আদালতে পাঠানো হবে।গত রবিবার বহুল আলোচিত এ মামলার রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত।
আরও পড়ুন, মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আজ হানিফদের পক্ষে শুনানি
রায়ের পর তাদের কনডেম সেলে নেওয়া হয়েছে।আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণ ও নির্যাতনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। একইসঙ্গে সোহেল রানা স্বেচ্ছায় অপরাধ স্বীকার করেছেন এবং তার স্ত্রী স্বপ্না তাকে পালাতে সহযোগিতা করেছেন।উল্লেখ্য, মাত্র চার কার্যদিবসে মামলার বিচারকাজ সম্পন্ন হয়। ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ, আত্মপক্ষ সমর্থন ও যুক্তিতর্ক শেষে দ্রুত রায় ঘোষণা করা হয়।এখন ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পৌঁছানোর পর মৃত্যুদণ্ডের রায় আইন অনুযায়ী উচ্চ আদালতের অনুমোদনের জন্য পর্যালোচনা করা হবে।
আরও পড়ুন, ভোর-রাত নয়, দিনের আলোতেও নিরাপদ নয় ঢাকা
বিষয় : হাইকোর্ট রামিসা হত্যা ডেথ রেফারেন্স

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পূর্ণাঙ্গ নথিতে বিচারকের সই শেষে আজ হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স পাঠানোর কথা রয়েছে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপিতে সই করার পর মামলার নথি উচ্চ আদালতে পাঠানো হবে।গত রবিবার বহুল আলোচিত এ মামলার রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত।
আরও পড়ুন, মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আজ হানিফদের পক্ষে শুনানি
রায়ের পর তাদের কনডেম সেলে নেওয়া হয়েছে।আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণ ও নির্যাতনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। একইসঙ্গে সোহেল রানা স্বেচ্ছায় অপরাধ স্বীকার করেছেন এবং তার স্ত্রী স্বপ্না তাকে পালাতে সহযোগিতা করেছেন।উল্লেখ্য, মাত্র চার কার্যদিবসে মামলার বিচারকাজ সম্পন্ন হয়। ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ, আত্মপক্ষ সমর্থন ও যুক্তিতর্ক শেষে দ্রুত রায় ঘোষণা করা হয়।এখন ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পৌঁছানোর পর মৃত্যুদণ্ডের রায় আইন অনুযায়ী উচ্চ আদালতের অনুমোদনের জন্য পর্যালোচনা করা হবে।
আরও পড়ুন, ভোর-রাত নয়, দিনের আলোতেও নিরাপদ নয় ঢাকা

আপনার মতামত লিখুন