ঈদ এলেই সবার মন ছুটে যায় আপন ঠিকানায়। পরিবারের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি, গ্রামের বাড়িতে ফেরা আর শৈশবের স্মৃতিমাখা ঈদ—এসবই যেন বাঙালির আবেগের অংশ। তবে প্রবাস জীবনের বাস্তবতায় সেই সুযোগ হয় না অনেকেরই।
কানাডায় বসবাসরত বাংলাদেশিরাও এবার ঈদ উদযাপন করেছেন ভিন্ন বাস্তবতায়। নির্ধারিত স্থান ছাড়া কোরবানি দেওয়া যায় না সেখানে। তাই কেউ শহরের বাইরে খামারে গিয়ে কোরবানি দিয়েছেন, আবার কেউ আগে থেকেই গ্রোসারি দোকানে অর্ডার করেছেন কোরবানির মাংসের জন্য।
আরও পড়ুন, দেশের ৭৪ কারাগারে ৮২ হাজার বন্দির ঈদ উদযাপন
ঈদের দিনও অনেক প্রবাসীকে যেতে হয়েছে কর্মস্থলে। তবুও ভোরে নতুন পোশাক পরে ঈদের নামাজে অংশ নেন মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ। নানা আয়োজন আর মিলনমেলায় ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন সবাই। প্রবাসে বন্ধু আর কমিউনিটির মানুষরাই ধীরে ধীরে হয়ে ওঠেন আপনজন। একসঙ্গে খাওয়া-দাওয়া, আড্ডা আর কুশল বিনিময়ে জমে ওঠে ঈদের উৎসব।
আরও পড়ুন, ঈদের দিনে ঢাকায় মেঘ-বৃষ্টির সম্ভাবনা
তবে আনন্দের মাঝেও মন পড়ে থাকে দেশে। ভিডিও কল আর ফোনালাপে স্বজনদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। দেশের ঈদের স্মৃতি তখন আরও বেশি নাড়া দেয় হৃদয়কে।
আরও পড়ুন, আলোচিত মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ রাখা হবে জাতীয় চিড়িয়াখানায়
সংগীত শিল্পী Sohag Hasan বলেন, “প্রবাস থেকে হাজার মাইল দূরে থাকলেও বাংলাদেশ আমাদের হৃদয়ে। শৈশবের সেই আনন্দময় ঈদকে খুব মিস করি।” প্রবাসী Naznin Haque বলেন, “এখানে প্রবাসীরাই আমাদের আপনজন হয়ে উঠেছে। আমরা একসাথে ঈদ উদযাপন করলেও দেশ ও দেশের স্বজনদের খুব মিস করি।”

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মে ২০২৬
ঈদ এলেই সবার মন ছুটে যায় আপন ঠিকানায়। পরিবারের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি, গ্রামের বাড়িতে ফেরা আর শৈশবের স্মৃতিমাখা ঈদ—এসবই যেন বাঙালির আবেগের অংশ। তবে প্রবাস জীবনের বাস্তবতায় সেই সুযোগ হয় না অনেকেরই।
কানাডায় বসবাসরত বাংলাদেশিরাও এবার ঈদ উদযাপন করেছেন ভিন্ন বাস্তবতায়। নির্ধারিত স্থান ছাড়া কোরবানি দেওয়া যায় না সেখানে। তাই কেউ শহরের বাইরে খামারে গিয়ে কোরবানি দিয়েছেন, আবার কেউ আগে থেকেই গ্রোসারি দোকানে অর্ডার করেছেন কোরবানির মাংসের জন্য।
আরও পড়ুন, দেশের ৭৪ কারাগারে ৮২ হাজার বন্দির ঈদ উদযাপন
ঈদের দিনও অনেক প্রবাসীকে যেতে হয়েছে কর্মস্থলে। তবুও ভোরে নতুন পোশাক পরে ঈদের নামাজে অংশ নেন মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ। নানা আয়োজন আর মিলনমেলায় ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন সবাই। প্রবাসে বন্ধু আর কমিউনিটির মানুষরাই ধীরে ধীরে হয়ে ওঠেন আপনজন। একসঙ্গে খাওয়া-দাওয়া, আড্ডা আর কুশল বিনিময়ে জমে ওঠে ঈদের উৎসব।
আরও পড়ুন, ঈদের দিনে ঢাকায় মেঘ-বৃষ্টির সম্ভাবনা
তবে আনন্দের মাঝেও মন পড়ে থাকে দেশে। ভিডিও কল আর ফোনালাপে স্বজনদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। দেশের ঈদের স্মৃতি তখন আরও বেশি নাড়া দেয় হৃদয়কে।
আরও পড়ুন, আলোচিত মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ রাখা হবে জাতীয় চিড়িয়াখানায়
সংগীত শিল্পী Sohag Hasan বলেন, “প্রবাস থেকে হাজার মাইল দূরে থাকলেও বাংলাদেশ আমাদের হৃদয়ে। শৈশবের সেই আনন্দময় ঈদকে খুব মিস করি।” প্রবাসী Naznin Haque বলেন, “এখানে প্রবাসীরাই আমাদের আপনজন হয়ে উঠেছে। আমরা একসাথে ঈদ উদযাপন করলেও দেশ ও দেশের স্বজনদের খুব মিস করি।”

আপনার মতামত লিখুন