সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। নতুন এই বেতন কাঠামোয় মূল বেতন বা বেসিক ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য বেসিক বেতন দ্বিগুণ বা ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এই নতুন পে-স্কেল কার্যকর হলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও এর সুফল পেতে পারেন। এতে দীর্ঘদিন ধরে বেতন বৈষম্যের অভিযোগে থাকা শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।
আরও পড়ুন, প্রতিমন্ত্রী হয়েছি, তাই অনেক কিছু বলতে পারি না: ইশরাক হোসেন
সম্ভাব্য প্রস্তাব অনুযায়ী, ৪র্থ গ্রেডের অধ্যক্ষদের বর্তমান ৫০ হাজার টাকার বেসিক বেড়ে ৭৫ হাজার টাকায় পৌঁছাতে পারে। ৬ষ্ঠ গ্রেডের সহকারী অধ্যাপকদের বেসিক ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে হতে পারে ৫৩ হাজার ২৫০ টাকা। এছাড়া ৯ম গ্রেডের কলেজ প্রভাষকদের বেতন ২২ হাজার থেকে বেড়ে ৩৩ হাজার টাকা এবং ১০ম গ্রেডের বিএডধারী সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১৬ হাজার থেকে বেড়ে ২৪ হাজার টাকা হতে পারে।
আরও পড়ুন, ঢাকাসহ ৯ জেলায় ঝড়ের সতর্কবার্তা, ঘণ্টায় ৬০ কিমি বেগে দমকা হাওয়ার আশঙ্কা
সবচেয়ে বড় সুবিধা পেতে পারেন নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীরা। ১১তম গ্রেডের বিএডবিহীন সহকারী শিক্ষকদের বেসিক ১২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। অন্যদিকে ১৬তম গ্রেডের অফিস সহকারী বা কম্পিউটার অপারেটরদের বেতন ৯ হাজার ৩০০ টাকা থেকে বেড়ে ১৮ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
২০তম গ্রেডের অফিস সহায়ক বা নিরাপত্তাকর্মীদের বেসিক ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত হওয়ার আলোচনা রয়েছে।
আরও পড়ুন, ঈদুল আজহায় বঙ্গভবনে সংবর্ধনা দেবেন রাষ্ট্রপতি
এ বিষয়ে দেলোয়ার হোসেন আজিজী বলেন, বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে বিদ্যমান বেতনে পরিবার চালানো অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আসন্ন বাজেটে সরকার ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেবে এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদেরও যথাযথভাবে বিবেচনায় রাখা হবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বিশেষ করে নিম্ন আয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মানে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে। তবে এখনো চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ হয়নি।
বিষয় : কর্মচারী পে-স্কেল সরকারি চাকরিজীবী

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। নতুন এই বেতন কাঠামোয় মূল বেতন বা বেসিক ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য বেসিক বেতন দ্বিগুণ বা ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এই নতুন পে-স্কেল কার্যকর হলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও এর সুফল পেতে পারেন। এতে দীর্ঘদিন ধরে বেতন বৈষম্যের অভিযোগে থাকা শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।
আরও পড়ুন, প্রতিমন্ত্রী হয়েছি, তাই অনেক কিছু বলতে পারি না: ইশরাক হোসেন
সম্ভাব্য প্রস্তাব অনুযায়ী, ৪র্থ গ্রেডের অধ্যক্ষদের বর্তমান ৫০ হাজার টাকার বেসিক বেড়ে ৭৫ হাজার টাকায় পৌঁছাতে পারে। ৬ষ্ঠ গ্রেডের সহকারী অধ্যাপকদের বেসিক ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে হতে পারে ৫৩ হাজার ২৫০ টাকা। এছাড়া ৯ম গ্রেডের কলেজ প্রভাষকদের বেতন ২২ হাজার থেকে বেড়ে ৩৩ হাজার টাকা এবং ১০ম গ্রেডের বিএডধারী সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১৬ হাজার থেকে বেড়ে ২৪ হাজার টাকা হতে পারে।
আরও পড়ুন, ঢাকাসহ ৯ জেলায় ঝড়ের সতর্কবার্তা, ঘণ্টায় ৬০ কিমি বেগে দমকা হাওয়ার আশঙ্কা
সবচেয়ে বড় সুবিধা পেতে পারেন নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীরা। ১১তম গ্রেডের বিএডবিহীন সহকারী শিক্ষকদের বেসিক ১২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। অন্যদিকে ১৬তম গ্রেডের অফিস সহকারী বা কম্পিউটার অপারেটরদের বেতন ৯ হাজার ৩০০ টাকা থেকে বেড়ে ১৮ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
২০তম গ্রেডের অফিস সহায়ক বা নিরাপত্তাকর্মীদের বেসিক ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত হওয়ার আলোচনা রয়েছে।
আরও পড়ুন, ঈদুল আজহায় বঙ্গভবনে সংবর্ধনা দেবেন রাষ্ট্রপতি
এ বিষয়ে দেলোয়ার হোসেন আজিজী বলেন, বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে বিদ্যমান বেতনে পরিবার চালানো অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আসন্ন বাজেটে সরকার ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেবে এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদেরও যথাযথভাবে বিবেচনায় রাখা হবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বিশেষ করে নিম্ন আয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মানে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে। তবে এখনো চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন