চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে পুলিশের কয়েক দফা সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত চলা সংঘর্ষে দুই সাংবাদিকসহ অন্তত ২৩ জন আহত হয়েছেন। এ সময় উত্তেজিত জনতা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
আরও পড়ুন, আন্তর্জাতিক চা দিবসে বই উপহার দিয়ে নজর কাড়লেন চা বিক্রেতা
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিশু ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিচারের দাবিতে সন্ধ্যার পর একটি এলাকায় জড়ো হন স্থানীয় বাসিন্দারা। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে উত্তেজনা তৈরি হলে পরিস্থিতি সংঘর্ষে রূপ নেয়।বিক্ষুব্ধ জনতা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে দুই সাংবাদিকসহ তিনজন আহত হন বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন, রামিসা হত্যা ও নারী-শিশু নির্যাতনের প্রতিবাদে রংপুরে মানববন্ধন
এ ছাড়া ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও থেমে থেমে সংঘর্ষে আরও অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতাল ও চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সংঘর্ষের বিস্তৃতি চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। জনতা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিলে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ, র্যাব ও আর্মড পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাত ১১টার দিকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন হাসপাতালে গিয়ে আহত সাংবাদিক ও অন্যান্যদের খোঁজখবর নেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা জোরদার করেছে প্রশাসন।

বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে পুলিশের কয়েক দফা সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত চলা সংঘর্ষে দুই সাংবাদিকসহ অন্তত ২৩ জন আহত হয়েছেন। এ সময় উত্তেজিত জনতা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
আরও পড়ুন, আন্তর্জাতিক চা দিবসে বই উপহার দিয়ে নজর কাড়লেন চা বিক্রেতা
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিশু ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিচারের দাবিতে সন্ধ্যার পর একটি এলাকায় জড়ো হন স্থানীয় বাসিন্দারা। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে উত্তেজনা তৈরি হলে পরিস্থিতি সংঘর্ষে রূপ নেয়।বিক্ষুব্ধ জনতা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে দুই সাংবাদিকসহ তিনজন আহত হন বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন, রামিসা হত্যা ও নারী-শিশু নির্যাতনের প্রতিবাদে রংপুরে মানববন্ধন
এ ছাড়া ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও থেমে থেমে সংঘর্ষে আরও অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতাল ও চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সংঘর্ষের বিস্তৃতি চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। জনতা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিলে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ, র্যাব ও আর্মড পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাত ১১টার দিকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন হাসপাতালে গিয়ে আহত সাংবাদিক ও অন্যান্যদের খোঁজখবর নেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা জোরদার করেছে প্রশাসন।

আপনার মতামত লিখুন