জনগণের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও জবাবদিহিতার সংস্কৃতি গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। তিনি বলেছেন, জনপ্রতিনিধিদের উচিত জনগণের কাছাকাছি থাকা এবং সরাসরি তাদের সমস্যা শোনা। কারণ নির্বাচনের পর অনেক প্রতিনিধি সাধারণ মানুষের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করেন, যা গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য ইতিবাচক নয়।(১২ মে) উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত দিনব্যাপী ত্রৈমাসিক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।আখতার হোসেন বলেন, নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নিয়মিত এলাকায় যাতায়াত করা হচ্ছে। প্রতি তিন মাস অন্তর দুই উপজেলায় মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হচ্ছে, যাতে সাধারণ মানুষ সরাসরি তাদের সমস্যা ও মতামত তুলে ধরতে পারেন।তিনি বলেন, এসব সভার মাধ্যমে এমন অনেক সমস্যা সামনে আসছে, যা আগে নজরে আসেনি।
আরও পড়ুন, বিয়ের আমন্ত্রণপত্র নিয়ে স্পিকারের কার্যালয়ে ডাকসু ভিপি
এতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া সহজ হচ্ছে। পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন নীতিগত বিষয়েও জনগণের মতামত পাওয়া যাচ্ছে, যা সংসদে উপস্থাপনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।সভায় স্থানীয় জনগণ রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ-মন্দির, কবরস্থান-শ্মশানসহ বিভিন্ন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নের দাবি জানান। এছাড়া তরুণদের খেলাধুলা ও সামাজিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ নিয়েও আলোচনা হয়।আখতার হোসেন জানান, এসব দাবি তালিকাভুক্ত করে ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বরাদ্দ ও উন্নয়ন কাজের তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা হচ্ছে, যাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়।কৃষকদের বর্তমান দুরবস্থার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। তার ভাষ্য, ধানের মৌসুমে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না। প্রায় সাড়ে সাতশ টাকা দরে ধান বিক্রি করতে হচ্ছে, অথচ সার, তেল ও শ্রমিকের মজুরিসহ উৎপাদন খরচ বেড়েই চলেছে। অনেক ক্ষেত্রে এক মণ ধান বিক্রি করেও একজন শ্রমিকের মজুরি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
আরও পড়ুন , মগবাজারে জামায়াতের নারী নেত্রীদের সঙ্গে পাকিস্তানি প্রতিনিধি ডা. সীমা মালিকের বৈঠক
বিষয় : সংস্কৃতি জনগণ জনপ্রতিনিধি

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
জনগণের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও জবাবদিহিতার সংস্কৃতি গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। তিনি বলেছেন, জনপ্রতিনিধিদের উচিত জনগণের কাছাকাছি থাকা এবং সরাসরি তাদের সমস্যা শোনা। কারণ নির্বাচনের পর অনেক প্রতিনিধি সাধারণ মানুষের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করেন, যা গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য ইতিবাচক নয়।(১২ মে) উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত দিনব্যাপী ত্রৈমাসিক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।আখতার হোসেন বলেন, নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নিয়মিত এলাকায় যাতায়াত করা হচ্ছে। প্রতি তিন মাস অন্তর দুই উপজেলায় মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হচ্ছে, যাতে সাধারণ মানুষ সরাসরি তাদের সমস্যা ও মতামত তুলে ধরতে পারেন।তিনি বলেন, এসব সভার মাধ্যমে এমন অনেক সমস্যা সামনে আসছে, যা আগে নজরে আসেনি।
আরও পড়ুন, বিয়ের আমন্ত্রণপত্র নিয়ে স্পিকারের কার্যালয়ে ডাকসু ভিপি
এতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া সহজ হচ্ছে। পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন নীতিগত বিষয়েও জনগণের মতামত পাওয়া যাচ্ছে, যা সংসদে উপস্থাপনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।সভায় স্থানীয় জনগণ রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ-মন্দির, কবরস্থান-শ্মশানসহ বিভিন্ন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নের দাবি জানান। এছাড়া তরুণদের খেলাধুলা ও সামাজিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ নিয়েও আলোচনা হয়।আখতার হোসেন জানান, এসব দাবি তালিকাভুক্ত করে ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বরাদ্দ ও উন্নয়ন কাজের তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা হচ্ছে, যাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়।কৃষকদের বর্তমান দুরবস্থার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। তার ভাষ্য, ধানের মৌসুমে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না। প্রায় সাড়ে সাতশ টাকা দরে ধান বিক্রি করতে হচ্ছে, অথচ সার, তেল ও শ্রমিকের মজুরিসহ উৎপাদন খরচ বেড়েই চলেছে। অনেক ক্ষেত্রে এক মণ ধান বিক্রি করেও একজন শ্রমিকের মজুরি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
আরও পড়ুন , মগবাজারে জামায়াতের নারী নেত্রীদের সঙ্গে পাকিস্তানি প্রতিনিধি ডা. সীমা মালিকের বৈঠক

আপনার মতামত লিখুন