২০২৩ সালের ১২ জুলাই রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত সমাবেশ থেকে ‘এক দফা’ কর্মসূচি ঘোষণার মধ্য দিয়ে যুগপৎ আন্দোলনের নতুন পর্যায়ের সূচনা করে বিএনপি ও তাদের রাজনৈতিক মিত্ররা। সেই ঘটনার তিন বছর পূর্ণ হলো আজ।সেদিন সমাবেশে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সরকারের পদত্যাগ এবং নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের দাবিতে ‘এক দফা’ ঘোষণা করেন। একই দিনে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও রাজধানীর পৃথক স্থানে সমাবেশ করে অভিন্ন দাবির প্রতি সমর্থন জানায়।বিএনপির দাবি, ২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর ঘোষিত ‘১০ দফা’ কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের ১২ জুলাইয়ের ‘এক দফা’ আন্দোলন সরকারবিরোধী কর্মসূচিকে নতুন গতি দেয়।
আরও পড়ুন, ‘ভোটে অনিয়ম হলে ছাড় দেওয়া হবে না’ : সারজিস আলম
দলটির নেতারা মনে করেন, পরবর্তী সময়ের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহে এ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।অন্যদিকে সে সময় সরকার ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ বিএনপির এসব দাবিকে প্রত্যাখ্যান করে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।২০২৩ সালের জুলাইজুড়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বিরাজ করে। বিভিন্ন কর্মসূচিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ, গ্রেপ্তার এবং পাল্টাপাল্টি অভিযোগও সামনে আসে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২২-২৩ সালের আন্দোলন দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় হিসেবে আলোচিত হয়। বিভিন্ন পক্ষ এর প্রভাব ও গুরুত্ব নিয়ে ভিন্নমত পোষণ করলেও, ১২ জুলাইয়ের ‘এক দফা’ ঘোষণা বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে আলোচনায় রয়েছে।

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
২০২৩ সালের ১২ জুলাই রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত সমাবেশ থেকে ‘এক দফা’ কর্মসূচি ঘোষণার মধ্য দিয়ে যুগপৎ আন্দোলনের নতুন পর্যায়ের সূচনা করে বিএনপি ও তাদের রাজনৈতিক মিত্ররা। সেই ঘটনার তিন বছর পূর্ণ হলো আজ।সেদিন সমাবেশে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সরকারের পদত্যাগ এবং নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের দাবিতে ‘এক দফা’ ঘোষণা করেন। একই দিনে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও রাজধানীর পৃথক স্থানে সমাবেশ করে অভিন্ন দাবির প্রতি সমর্থন জানায়।বিএনপির দাবি, ২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর ঘোষিত ‘১০ দফা’ কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের ১২ জুলাইয়ের ‘এক দফা’ আন্দোলন সরকারবিরোধী কর্মসূচিকে নতুন গতি দেয়।
আরও পড়ুন, ‘ভোটে অনিয়ম হলে ছাড় দেওয়া হবে না’ : সারজিস আলম
দলটির নেতারা মনে করেন, পরবর্তী সময়ের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহে এ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।অন্যদিকে সে সময় সরকার ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ বিএনপির এসব দাবিকে প্রত্যাখ্যান করে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।২০২৩ সালের জুলাইজুড়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বিরাজ করে। বিভিন্ন কর্মসূচিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ, গ্রেপ্তার এবং পাল্টাপাল্টি অভিযোগও সামনে আসে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২২-২৩ সালের আন্দোলন দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় হিসেবে আলোচিত হয়। বিভিন্ন পক্ষ এর প্রভাব ও গুরুত্ব নিয়ে ভিন্নমত পোষণ করলেও, ১২ জুলাইয়ের ‘এক দফা’ ঘোষণা বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে আলোচনায় রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন