ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন এবং তিস্তা পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে মন্তব্য করেছেন বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল। ভারতের সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি পশ্চিমবঙ্গে বিজয়ী রাজনৈতিক পক্ষকে অভিনন্দন জানান বলে এনডিটিভির খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, চীনের আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ: নিহত ২১, আহত ৬১
সাক্ষাৎকারে তিনি তিস্তা পানি বণ্টন চুক্তি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান এবং বলেন, এই চুক্তি বাস্তবায়নে রাজনৈতিক পরিবর্তন ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি দাবি করেন, অতীতে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অবস্থান তিস্তা চুক্তি বাস্তবায়নে একটি বাধা হিসেবে কাজ করেছে বলে তার ধারণা। তিনি আরও মত দেন যে, দুই দেশের সরকার চাইলে ভবিষ্যতে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নের পথ খুলে যেতে পারে।
আরও পড়ুন, ইরান যুদ্ধে জয়ের সুযোগ নেই: ট্রাম্প
তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন পরিস্থিতি ও ফলাফল নিয়ে যে কিছু দাবি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তা এখন পর্যন্ত কোনো নির্ভরযোগ্য সরকারি নির্বাচন কমিশন সূত্রে নিশ্চিত নয়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন সরকার দীর্ঘদিন ধরে রাজ্য পরিচালনা করে আসছে। অন্যদিকে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) রাজ্যের প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে সক্রিয় রয়েছে।
আরও পড়ুন, হরমুজ প্রণালিতে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ শুরু যুক্তরাষ্ট্রের
তিস্তা পানি বণ্টন ইস্যু বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের একটি দীর্ঘমেয়াদি কূটনৈতিক বিষয়, যা কেন্দ্রীয় সরকার পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হয়ে থাকে। বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজনৈতিক বক্তব্য ও নির্বাচনী বাস্তবতা আলাদা বিষয় হওয়ায় এসব মন্তব্য যাচাই ছাড়া গ্রহণ করা বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন এবং তিস্তা পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে মন্তব্য করেছেন বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল। ভারতের সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি পশ্চিমবঙ্গে বিজয়ী রাজনৈতিক পক্ষকে অভিনন্দন জানান বলে এনডিটিভির খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, চীনের আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ: নিহত ২১, আহত ৬১
সাক্ষাৎকারে তিনি তিস্তা পানি বণ্টন চুক্তি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান এবং বলেন, এই চুক্তি বাস্তবায়নে রাজনৈতিক পরিবর্তন ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি দাবি করেন, অতীতে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অবস্থান তিস্তা চুক্তি বাস্তবায়নে একটি বাধা হিসেবে কাজ করেছে বলে তার ধারণা। তিনি আরও মত দেন যে, দুই দেশের সরকার চাইলে ভবিষ্যতে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নের পথ খুলে যেতে পারে।
আরও পড়ুন, ইরান যুদ্ধে জয়ের সুযোগ নেই: ট্রাম্প
তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন পরিস্থিতি ও ফলাফল নিয়ে যে কিছু দাবি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তা এখন পর্যন্ত কোনো নির্ভরযোগ্য সরকারি নির্বাচন কমিশন সূত্রে নিশ্চিত নয়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন সরকার দীর্ঘদিন ধরে রাজ্য পরিচালনা করে আসছে। অন্যদিকে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) রাজ্যের প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে সক্রিয় রয়েছে।
আরও পড়ুন, হরমুজ প্রণালিতে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ শুরু যুক্তরাষ্ট্রের
তিস্তা পানি বণ্টন ইস্যু বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের একটি দীর্ঘমেয়াদি কূটনৈতিক বিষয়, যা কেন্দ্রীয় সরকার পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হয়ে থাকে। বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজনৈতিক বক্তব্য ও নির্বাচনী বাস্তবতা আলাদা বিষয় হওয়ায় এসব মন্তব্য যাচাই ছাড়া গ্রহণ করা বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন