জাতীয় সংসদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা তোলার দাবি জানিয়েছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, নির্বাচনের আগে স্বাক্ষরিত এই চুক্তিতে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী ধারা থাকতে পারে এবং সরকার চাইলে ৬০ দিনের মধ্যে এটি বাতিলের সুযোগ রয়েছে। বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এ দাবি জানান। সংসদের ২৪তম কার্যদিবসে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমাদের সভাপতিত্বে অধিবেশন চলছিল।
আরও পড়ুন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করলেন বেলারুশের রাষ্ট্রদূত
রুমিন ফারহানা বলেন, সম্প্রতি মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রীর বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ঘাটতি, কৃষি ও জ্বালানি পণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতি, ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ আকর্ষণে নীতি সংস্কারের বিষয়গুলো আলোচিত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে যত পণ্য রফতানি করে, তার তুলনায় আমদানি কম হওয়ায় বড় ধরনের বাণিজ্য ঘাটতি তৈরি হয়েছে, যা পূরণে এই চুক্তি করা হয়েছে। চুক্তির সময় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এই সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের মাত্র তিনদিন আগে ৯ ফেব্রুয়ারি এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা নিয়ে তখন সুশীল সমাজ ও বিভিন্ন বিশ্লেষক মহলে আপত্তি উঠেছিল। তাদের মতে, একটি অনির্বাচিত সরকারের এমন গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করা উচিত নয়।
আরও পড়ুন, বন্ধ বিমানবন্দর ফের চালুর উদ্যোগ, আকাশপথে নতুন নেটওয়ার্ক গড়ার পরিকল্পনা
তিনি আরও বলেন, চুক্তির বিভিন্ন ধারা বাংলাদেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে যেতে পারে। তাই নির্বাচনের পর একটি নির্বাচিত সরকারের মাধ্যমে এটি পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন ছিল। তবে তা না হওয়ায় এখন সংসদে এ বিষয়ে আলোচনা হওয়া জরুরি।এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমাদ বলেন, এটি পয়েন্ট অব অর্ডারের আওতায় পড়ে না। সংসদের বিধি অনুযায়ী চলমান আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয় বা শৃঙ্খলা রক্ষার প্রশ্নেই পয়েন্ট অব অর্ডার তোলা যায়। নতুন কোনো বিষয় উত্থাপন করতে হলে নির্ধারিত পদ্ধতিতে নোটিশ দিতে হবে। স্পিকারের বক্তব্যের পরও রুমিন ফারহানা আরও সময় চেয়ে বলেন, সরকার চাইলে ৬০ দিনের মধ্যে এই চুক্তি বাতিল করতে পারে এবং বিষয়টি সংসদে আনা উচিত। তবে স্পিকার তার এ অনুরোধ গ্রহণ করেননি।
বিষয় : যুক্তরাষ্ট্র রুমিন ফারহানা চুক্তি

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
জাতীয় সংসদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা তোলার দাবি জানিয়েছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, নির্বাচনের আগে স্বাক্ষরিত এই চুক্তিতে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী ধারা থাকতে পারে এবং সরকার চাইলে ৬০ দিনের মধ্যে এটি বাতিলের সুযোগ রয়েছে। বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এ দাবি জানান। সংসদের ২৪তম কার্যদিবসে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমাদের সভাপতিত্বে অধিবেশন চলছিল।
আরও পড়ুন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করলেন বেলারুশের রাষ্ট্রদূত
রুমিন ফারহানা বলেন, সম্প্রতি মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রীর বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ঘাটতি, কৃষি ও জ্বালানি পণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতি, ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ আকর্ষণে নীতি সংস্কারের বিষয়গুলো আলোচিত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে যত পণ্য রফতানি করে, তার তুলনায় আমদানি কম হওয়ায় বড় ধরনের বাণিজ্য ঘাটতি তৈরি হয়েছে, যা পূরণে এই চুক্তি করা হয়েছে। চুক্তির সময় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এই সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের মাত্র তিনদিন আগে ৯ ফেব্রুয়ারি এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা নিয়ে তখন সুশীল সমাজ ও বিভিন্ন বিশ্লেষক মহলে আপত্তি উঠেছিল। তাদের মতে, একটি অনির্বাচিত সরকারের এমন গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করা উচিত নয়।
আরও পড়ুন, বন্ধ বিমানবন্দর ফের চালুর উদ্যোগ, আকাশপথে নতুন নেটওয়ার্ক গড়ার পরিকল্পনা
তিনি আরও বলেন, চুক্তির বিভিন্ন ধারা বাংলাদেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে যেতে পারে। তাই নির্বাচনের পর একটি নির্বাচিত সরকারের মাধ্যমে এটি পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন ছিল। তবে তা না হওয়ায় এখন সংসদে এ বিষয়ে আলোচনা হওয়া জরুরি।এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমাদ বলেন, এটি পয়েন্ট অব অর্ডারের আওতায় পড়ে না। সংসদের বিধি অনুযায়ী চলমান আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয় বা শৃঙ্খলা রক্ষার প্রশ্নেই পয়েন্ট অব অর্ডার তোলা যায়। নতুন কোনো বিষয় উত্থাপন করতে হলে নির্ধারিত পদ্ধতিতে নোটিশ দিতে হবে। স্পিকারের বক্তব্যের পরও রুমিন ফারহানা আরও সময় চেয়ে বলেন, সরকার চাইলে ৬০ দিনের মধ্যে এই চুক্তি বাতিল করতে পারে এবং বিষয়টি সংসদে আনা উচিত। তবে স্পিকার তার এ অনুরোধ গ্রহণ করেননি।

আপনার মতামত লিখুন