ঢাকার গাবতলী এলাকায় চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো পরিদর্শন করেছেন মো. শফিকুল ইসলাম খান।মঙ্গলবার বিকেলে তিনি প্রথমে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য নির্মাণাধীন বহুতল আবাসন প্রকল্পের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন। প্রকল্প অনুযায়ী এখানে ১৫ তলা বিশিষ্ট ৪টি ভবনে মোট ৭৮৪টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হচ্ছে।প্রতিটি ফ্ল্যাটের আয়তন ৫৬০ স্কয়ার ফিট এবং প্রতিটি ফ্লোরে ১৬টি ইউনিট থাকবে। ভবনগুলোতে ফায়ার সেফটি, ফায়ার এক্সিট এবং আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে।এছাড়া প্রতিটি ভবনে ৬টি করে লিফট থাকবে। আবাসন কমপ্লেক্সে শিশুদের স্কুল, মসজিদ, সবুজায়ন এবং উন্নত সড়ক ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।
আরো পড়ুন , ভোরের মুষলধারে বৃষ্টি, ঢাকায় স্বস্তি-ভোগান্তিতে নগরজীবন
ডিএনসিসি প্রশাসক জানান, প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে এবং জুলাইয়ের শেষ বা আগস্টের শুরুতে ফ্ল্যাটগুলো পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।এরপর তিনি গাবতলী বাস টার্মিনাল এলাকায় যানজট নিরসনে নির্মাণাধীন বাইপাস সড়ক প্রকল্প পরিদর্শন করেন।তিনি জানান, শহরের ভেতরে আন্তজেলা বাস প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হবে এবং অবৈধ টিকেট কাউন্টার উচ্ছেদ করা হচ্ছে। এতে গাবতলী এলাকায় যানজট অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।এ সময় ঈদুল আজহা উপলক্ষে পশুর হাট ব্যবস্থাপনা নিয়েও কথা বলেন তিনি। তিনি জানান, জনসাধারণের সুবিধা ও যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে নির্ধারিত স্থানে হাট বসানো হবে এবং নিয়ম অনুযায়ী সর্বোচ্চ দরদাতার মাধ্যমে ইজারা দেওয়া হবে।পরিদর্শনকালে ডিএনসিসির শীর্ষ প্রকৌশলী ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিষয় : অগ্রগতি পরিচ্ছন্নতা গাবতলী

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকার গাবতলী এলাকায় চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো পরিদর্শন করেছেন মো. শফিকুল ইসলাম খান।মঙ্গলবার বিকেলে তিনি প্রথমে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য নির্মাণাধীন বহুতল আবাসন প্রকল্পের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন। প্রকল্প অনুযায়ী এখানে ১৫ তলা বিশিষ্ট ৪টি ভবনে মোট ৭৮৪টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হচ্ছে।প্রতিটি ফ্ল্যাটের আয়তন ৫৬০ স্কয়ার ফিট এবং প্রতিটি ফ্লোরে ১৬টি ইউনিট থাকবে। ভবনগুলোতে ফায়ার সেফটি, ফায়ার এক্সিট এবং আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে।এছাড়া প্রতিটি ভবনে ৬টি করে লিফট থাকবে। আবাসন কমপ্লেক্সে শিশুদের স্কুল, মসজিদ, সবুজায়ন এবং উন্নত সড়ক ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।
আরো পড়ুন , ভোরের মুষলধারে বৃষ্টি, ঢাকায় স্বস্তি-ভোগান্তিতে নগরজীবন
ডিএনসিসি প্রশাসক জানান, প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে এবং জুলাইয়ের শেষ বা আগস্টের শুরুতে ফ্ল্যাটগুলো পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।এরপর তিনি গাবতলী বাস টার্মিনাল এলাকায় যানজট নিরসনে নির্মাণাধীন বাইপাস সড়ক প্রকল্প পরিদর্শন করেন।তিনি জানান, শহরের ভেতরে আন্তজেলা বাস প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হবে এবং অবৈধ টিকেট কাউন্টার উচ্ছেদ করা হচ্ছে। এতে গাবতলী এলাকায় যানজট অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।এ সময় ঈদুল আজহা উপলক্ষে পশুর হাট ব্যবস্থাপনা নিয়েও কথা বলেন তিনি। তিনি জানান, জনসাধারণের সুবিধা ও যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে নির্ধারিত স্থানে হাট বসানো হবে এবং নিয়ম অনুযায়ী সর্বোচ্চ দরদাতার মাধ্যমে ইজারা দেওয়া হবে।পরিদর্শনকালে ডিএনসিসির শীর্ষ প্রকৌশলী ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন