ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন ধরে চলমান চিকিৎসক সংকট ও অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের কারণে চিকিৎসাসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ রোগীরা।হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, বহির্বিভাগে রোগীদের দীর্ঘ সারি। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পরও অনেকেই চিকিৎসকের সাক্ষাৎ পাচ্ছেন না। ফলে কেউ খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন, আবার অনেকেই উন্নত চিকিৎসার আশায় ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতাল বা দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ৪ মার্চ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামাল আহমেদের বদলির পর থেকে পদটি শূন্য রয়েছে। বর্তমানে সদর উপজেলার ইউএইচএফপিও ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ সাইদুর অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন।
আরো পড়ুন , রায়পুরায় মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার
পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ওয়ারিস ইয়াজদানি জানান, চিকিৎসক সংকট ও অতিরিক্ত দায়িত্বের চাপে হাসপাতালের কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। রোগীর সংখ্যা বাড়লেও প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় সঠিকভাবে সেবা দেওয়া যাচ্ছে না।অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ সাইদুর বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তিনি এই দায়িত্ব পালন করছেন। তবে দূরত্ব বেশি হওয়ায় প্রতিদিন যাতায়াত করা সম্ভব হচ্ছে না। ব্যক্তিগত অসুস্থতাও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের সিভিল সার্জন ডা. আনিসুর রহমান জানান, চিকিৎসক সংকটের বিষয়টি ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে জানানো হয়েছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসক নিয়োগের মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি হাসপাতালের বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানেও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগ দিয়ে স্বাস্থ্যসেবার এই সংকট নিরসন না হলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।
বিষয় : রোগী সংকট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন ধরে চলমান চিকিৎসক সংকট ও অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের কারণে চিকিৎসাসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ রোগীরা।হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, বহির্বিভাগে রোগীদের দীর্ঘ সারি। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পরও অনেকেই চিকিৎসকের সাক্ষাৎ পাচ্ছেন না। ফলে কেউ খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন, আবার অনেকেই উন্নত চিকিৎসার আশায় ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতাল বা দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ৪ মার্চ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামাল আহমেদের বদলির পর থেকে পদটি শূন্য রয়েছে। বর্তমানে সদর উপজেলার ইউএইচএফপিও ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ সাইদুর অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন।
আরো পড়ুন , রায়পুরায় মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার
পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ওয়ারিস ইয়াজদানি জানান, চিকিৎসক সংকট ও অতিরিক্ত দায়িত্বের চাপে হাসপাতালের কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। রোগীর সংখ্যা বাড়লেও প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় সঠিকভাবে সেবা দেওয়া যাচ্ছে না।অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ সাইদুর বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তিনি এই দায়িত্ব পালন করছেন। তবে দূরত্ব বেশি হওয়ায় প্রতিদিন যাতায়াত করা সম্ভব হচ্ছে না। ব্যক্তিগত অসুস্থতাও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের সিভিল সার্জন ডা. আনিসুর রহমান জানান, চিকিৎসক সংকটের বিষয়টি ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে জানানো হয়েছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসক নিয়োগের মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি হাসপাতালের বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানেও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগ দিয়ে স্বাস্থ্যসেবার এই সংকট নিরসন না হলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।

আপনার মতামত লিখুন