রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় লোডশেডিংয়ের কারণে অন্ধকারে ডুবে যায় একটি এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র। এতে বাধ্য হয়ে মোমবাতির ক্ষীণ আলোয় পরীক্ষা দিতে হয়েছে শিক্ষার্থীদের। ঘটনাটি ঘটে গতকাল রোববার বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার পায়রাবন্দ এলাকার পায়রাবন্দ বেগম রোকেয়া স্মৃতি গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে।
আরও পড়ুন, নরসিংদীতে প্রেমিককে কুপিয়ে আহতের জেরে প্রেমিকার বাড়ি-ঘরে আগুন
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে পুরো কেন্দ্র অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়। এ সময় কোনো বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষকরা দ্রুত মোমবাতি জ্বালিয়ে পরীক্ষার কার্যক্রম চালিয়ে নেন। এতে পরীক্ষার্থীরা স্বাভাবিকভাবে উত্তরপত্র লিখতে ব্যাহত হন এবং মনোযোগ ধরে রাখতে সমস্যায় পড়েন।
আরও পড়ুন, কিশোরগঞ্জ বিসিকে নির্মানাধীন ফটক ধসে শ্রমিক নিহত
পরীক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষার সময় এমন অব্যবস্থাপনা তাদের জন্য চরম উদ্বেগজনক। অনেকেই জানান, কম আলোয় প্রশ্নপত্র পড়া ও উত্তর লেখা কঠিন হয়ে পড়ে, যা তাদের ফলাফলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এদিকে অভিভাবকরাও এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ বা বিকল্প ব্যবস্থা (যেমন জেনারেটর) নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় লোডশেডিংয়ের কারণে অন্ধকারে ডুবে যায় একটি এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র। এতে বাধ্য হয়ে মোমবাতির ক্ষীণ আলোয় পরীক্ষা দিতে হয়েছে শিক্ষার্থীদের। ঘটনাটি ঘটে গতকাল রোববার বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার পায়রাবন্দ এলাকার পায়রাবন্দ বেগম রোকেয়া স্মৃতি গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে।
আরও পড়ুন, নরসিংদীতে প্রেমিককে কুপিয়ে আহতের জেরে প্রেমিকার বাড়ি-ঘরে আগুন
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে পুরো কেন্দ্র অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়। এ সময় কোনো বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষকরা দ্রুত মোমবাতি জ্বালিয়ে পরীক্ষার কার্যক্রম চালিয়ে নেন। এতে পরীক্ষার্থীরা স্বাভাবিকভাবে উত্তরপত্র লিখতে ব্যাহত হন এবং মনোযোগ ধরে রাখতে সমস্যায় পড়েন।
আরও পড়ুন, কিশোরগঞ্জ বিসিকে নির্মানাধীন ফটক ধসে শ্রমিক নিহত
পরীক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষার সময় এমন অব্যবস্থাপনা তাদের জন্য চরম উদ্বেগজনক। অনেকেই জানান, কম আলোয় প্রশ্নপত্র পড়া ও উত্তর লেখা কঠিন হয়ে পড়ে, যা তাদের ফলাফলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এদিকে অভিভাবকরাও এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ বা বিকল্প ব্যবস্থা (যেমন জেনারেটর) নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।

আপনার মতামত লিখুন