কুমিল্লার আলোচিত সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় তিন দিনের রিমান্ড শেষে সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুর রহমানকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।রোববার কুমিল্লার আদালতে তাকে হাজির করা হলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এই নির্দেশ দেন।মামলার তদন্ত করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন—পিবিআই। তারা জানায়, মামলার অপর দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, হাফিজুর রহমানের সঙ্গে তনুর সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যোগাযোগ ছিল এবং তিনি ঘটনার ঘটনাক্রমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
আরো পড়ুন , প্রকল্প ব্যয়ে সাশ্রয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের, একনেকে ১৫ প্রকল্প অনুমোদন
তবে তদন্ত কর্মকর্তারা বলছেন, এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে ডিএনএ রিপোর্টই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।২০১৭ সালে সিআইডির পরীক্ষায় তনুর পোশাকে তিনজন পুরুষের ডিএনএ নমুনা পাওয়া যায়। বর্তমানে নতুন করে অভিযুক্ত হাফিজুর রহমানের ডিএনএ সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।এদিকে মামলার অন্য দুই সন্দেহভাজন সার্জেন্ট জাহিদ ও সৈনিক শাহীন আলমকে ঘিরে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। একজন দেশের বাইরে চলে যেতে পারেন বলে ধারণা করছে তদন্ত সংস্থা।উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় টিউশনি শেষে ফেরার পথে তনুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর পর মামলাটি আবারও আলোচনায় এসেছে।
বিষয় : আইনশৃঙ্খলা সেনা সদস্য তনু হত্যা

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
কুমিল্লার আলোচিত সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় তিন দিনের রিমান্ড শেষে সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুর রহমানকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।রোববার কুমিল্লার আদালতে তাকে হাজির করা হলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এই নির্দেশ দেন।মামলার তদন্ত করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন—পিবিআই। তারা জানায়, মামলার অপর দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, হাফিজুর রহমানের সঙ্গে তনুর সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যোগাযোগ ছিল এবং তিনি ঘটনার ঘটনাক্রমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
আরো পড়ুন , প্রকল্প ব্যয়ে সাশ্রয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের, একনেকে ১৫ প্রকল্প অনুমোদন
তবে তদন্ত কর্মকর্তারা বলছেন, এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে ডিএনএ রিপোর্টই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।২০১৭ সালে সিআইডির পরীক্ষায় তনুর পোশাকে তিনজন পুরুষের ডিএনএ নমুনা পাওয়া যায়। বর্তমানে নতুন করে অভিযুক্ত হাফিজুর রহমানের ডিএনএ সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।এদিকে মামলার অন্য দুই সন্দেহভাজন সার্জেন্ট জাহিদ ও সৈনিক শাহীন আলমকে ঘিরে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। একজন দেশের বাইরে চলে যেতে পারেন বলে ধারণা করছে তদন্ত সংস্থা।উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় টিউশনি শেষে ফেরার পথে তনুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর পর মামলাটি আবারও আলোচনায় এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন