দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

লো ব্লাড প্রেসার: লক্ষণ ও ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্কতা

লো ব্লাড প্রেসার: লক্ষণ ও ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্কতা
লো ব্লাড প্রেসার: লক্ষণ ও ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্কতা

লো ব্লাড প্রেসার বা নিম্ন রক্তচাপ এমন একটি শারীরিক অবস্থা, যেখানে রক্তচাপ স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে কম থাকে। সাধারণভাবে এটি সবসময় গুরুতর সমস্যা না হলেও কিছু ক্ষেত্রে এটি দৈনন্দিন জীবনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।চিকিৎসকদের মতে, সাধারণত রক্তচাপ ৯০/৬০ mmHg-এর নিচে নেমে গেলে তাকে হাইপোটেনশন বলা হয়। এটি দুই ধরনের হতে পারে—অ্যাবসোলিউট হাইপোটেনশন এবং অর্থোস্ট্যাটিক হাইপোটেনশন, যা মূলত অবস্থান পরিবর্তনের সময় ঘটে।

আরও পড়ুন, গরমে শিশুদের ত্বকের যত্নে বিশেষ সতর্কতা

লো ব্লাড প্রেসারের সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে মাথা ঘোরা, হালকা বোধ করা, দুর্বলতা, ঝাপসা দৃষ্টি এবং অতিরিক্ত ক্লান্তি। গুরুতর ক্ষেত্রে অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও থাকে, যা পড়ে গিয়ে আঘাত পাওয়ার কারণ হতে পারে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মস্তিষ্কে পর্যাপ্ত রক্ত সরবরাহ না হলে এ ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়, যা কর্মক্ষমতা ও দৈনন্দিন কাজকর্মে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

লো ব্লাড প্রেসারের পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। যেমন—হঠাৎ করে অবস্থান পরিবর্তন, কিছু নির্দিষ্ট ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, পানিশূন্যতা, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, থাইরয়েড সমস্যা কিংবা গুরুতর সংক্রমণজনিত শক। গর্ভাবস্থাতেও অনেক সময় রক্তচাপ কমে যেতে পারে। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, হালকা নিম্ন রক্তচাপ সবসময় উদ্বেগজনক নয়। তবে যদি ঘন ঘন মাথা ঘোরা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা তীব্র দুর্বলতা দেখা দেয়, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। কারণ এটি হৃদপিণ্ড, মস্তিষ্ক ও কিডনির ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

আরও পড়ুন, ব্যাক পেইন কমানোর ৮ সহজ উপায়

সতর্ক না থাকলে এই অবস্থা পড়ে গিয়ে গুরুতর আঘাতের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই সময়মতো লক্ষণ চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

বিষয় : লো ব্লাড প্রেসার নিম্ন রক্তচাপ রক্তচাপ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬


লো ব্লাড প্রেসার: লক্ষণ ও ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্কতা

প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

লো ব্লাড প্রেসার বা নিম্ন রক্তচাপ এমন একটি শারীরিক অবস্থা, যেখানে রক্তচাপ স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে কম থাকে। সাধারণভাবে এটি সবসময় গুরুতর সমস্যা না হলেও কিছু ক্ষেত্রে এটি দৈনন্দিন জীবনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।চিকিৎসকদের মতে, সাধারণত রক্তচাপ ৯০/৬০ mmHg-এর নিচে নেমে গেলে তাকে হাইপোটেনশন বলা হয়। এটি দুই ধরনের হতে পারে—অ্যাবসোলিউট হাইপোটেনশন এবং অর্থোস্ট্যাটিক হাইপোটেনশন, যা মূলত অবস্থান পরিবর্তনের সময় ঘটে।

আরও পড়ুন, গরমে শিশুদের ত্বকের যত্নে বিশেষ সতর্কতা

লো ব্লাড প্রেসারের সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে মাথা ঘোরা, হালকা বোধ করা, দুর্বলতা, ঝাপসা দৃষ্টি এবং অতিরিক্ত ক্লান্তি। গুরুতর ক্ষেত্রে অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও থাকে, যা পড়ে গিয়ে আঘাত পাওয়ার কারণ হতে পারে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মস্তিষ্কে পর্যাপ্ত রক্ত সরবরাহ না হলে এ ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়, যা কর্মক্ষমতা ও দৈনন্দিন কাজকর্মে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

লো ব্লাড প্রেসারের পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। যেমন—হঠাৎ করে অবস্থান পরিবর্তন, কিছু নির্দিষ্ট ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, পানিশূন্যতা, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, থাইরয়েড সমস্যা কিংবা গুরুতর সংক্রমণজনিত শক। গর্ভাবস্থাতেও অনেক সময় রক্তচাপ কমে যেতে পারে। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, হালকা নিম্ন রক্তচাপ সবসময় উদ্বেগজনক নয়। তবে যদি ঘন ঘন মাথা ঘোরা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা তীব্র দুর্বলতা দেখা দেয়, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। কারণ এটি হৃদপিণ্ড, মস্তিষ্ক ও কিডনির ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

আরও পড়ুন, ব্যাক পেইন কমানোর ৮ সহজ উপায়

সতর্ক না থাকলে এই অবস্থা পড়ে গিয়ে গুরুতর আঘাতের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই সময়মতো লক্ষণ চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত