বর্তমানে পিঠ বা কোমরের ব্যথা অর্থাৎ ব্যাক পেইন একটি অত্যন্ত সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যায় পরিণত হয়েছে। খেলাধুলার চোট থেকে শুরু করে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা বা ভুল জীবনযাপন—বিভিন্ন কারণে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, দৈনন্দিন জীবনে কিছু সহজ অভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে এই ব্যথা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
প্রথমত, শরীরের কোর মাসল বা কেন্দ্রীয় পেশি শক্তিশালী করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পেশিগুলো মেরুদণ্ডকে সঠিকভাবে ভার বহনে সহায়তা করে। নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে এগুলো সক্রিয় রাখা প্রয়োজন।
দ্বিতীয়ত, প্রতিদিন স্ট্রেচিং করার অভ্যাস পেশির নমনীয়তা বজায় রাখে এবং মেরুদণ্ডের ওপর চাপ কমায়।
তৃতীয়ত, দীর্ঘসময় ভুল ভঙ্গিতে বসে থাকা এড়িয়ে চলতে হবে। মাঝে মাঝে উঠে হাঁটাচলা করা জরুরি।
চতুর্থত, নিয়মিত হাঁটা একটি নিরাপদ ব্যায়াম, যা শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং পিঠের ওপর চাপ কমায়।
পঞ্চমত, ভারি বস্তু তোলার সময় সতর্ক থাকতে হবে। পায়ের শক্তি ব্যবহার করে তুলতে হবে, পিঠে চাপ দেওয়া যাবে না।
ষষ্ঠত, ঘুমানোর ভঙ্গিও গুরুত্বপূর্ণ। চিৎ হয়ে ঘুমালে হাঁটুর নিচে বালিশ ব্যবহার করা বা কাত হয়ে ঘুমালে হাঁটুর মাঝে বালিশ রাখা উপকারী।
সপ্তমত, শরীরের অতিরিক্ত ওজন মেরুদণ্ডে বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে, তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।
অষ্টমত, ধূমপান ত্যাগ করা গুরুত্বপূর্ণ। এটি মেরুদণ্ডের রক্ত সঞ্চালন কমিয়ে দেয় এবং হাড়ের ক্ষয় বাড়ায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব অভ্যাস মেনে চললে পিঠের ব্যথা অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব। তবে ব্যথা তীব্র হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
বিষয় : হাঁটাচলা ব্যাক পেইন মেরুদণ্ড উপায়

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
বর্তমানে পিঠ বা কোমরের ব্যথা অর্থাৎ ব্যাক পেইন একটি অত্যন্ত সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যায় পরিণত হয়েছে। খেলাধুলার চোট থেকে শুরু করে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা বা ভুল জীবনযাপন—বিভিন্ন কারণে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, দৈনন্দিন জীবনে কিছু সহজ অভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে এই ব্যথা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
প্রথমত, শরীরের কোর মাসল বা কেন্দ্রীয় পেশি শক্তিশালী করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পেশিগুলো মেরুদণ্ডকে সঠিকভাবে ভার বহনে সহায়তা করে। নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে এগুলো সক্রিয় রাখা প্রয়োজন।
দ্বিতীয়ত, প্রতিদিন স্ট্রেচিং করার অভ্যাস পেশির নমনীয়তা বজায় রাখে এবং মেরুদণ্ডের ওপর চাপ কমায়।
তৃতীয়ত, দীর্ঘসময় ভুল ভঙ্গিতে বসে থাকা এড়িয়ে চলতে হবে। মাঝে মাঝে উঠে হাঁটাচলা করা জরুরি।
চতুর্থত, নিয়মিত হাঁটা একটি নিরাপদ ব্যায়াম, যা শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং পিঠের ওপর চাপ কমায়।
পঞ্চমত, ভারি বস্তু তোলার সময় সতর্ক থাকতে হবে। পায়ের শক্তি ব্যবহার করে তুলতে হবে, পিঠে চাপ দেওয়া যাবে না।
ষষ্ঠত, ঘুমানোর ভঙ্গিও গুরুত্বপূর্ণ। চিৎ হয়ে ঘুমালে হাঁটুর নিচে বালিশ ব্যবহার করা বা কাত হয়ে ঘুমালে হাঁটুর মাঝে বালিশ রাখা উপকারী।
সপ্তমত, শরীরের অতিরিক্ত ওজন মেরুদণ্ডে বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে, তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।
অষ্টমত, ধূমপান ত্যাগ করা গুরুত্বপূর্ণ। এটি মেরুদণ্ডের রক্ত সঞ্চালন কমিয়ে দেয় এবং হাড়ের ক্ষয় বাড়ায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব অভ্যাস মেনে চললে পিঠের ব্যথা অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব। তবে ব্যথা তীব্র হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

আপনার মতামত লিখুন