সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ। গত ২২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে রংপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ড থেকে মঞ্জুরিকৃত মোট ৭১ লক্ষ টাকার অনুদানের চেক ক্ষতিগ্রস্ত ২৩টি পরিবারের মাঝে হস্তান্তর করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুরের জেলা প্রশাসক( ডিসি) মোহাম্মদ রুহুল আমিন। তিনি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য এই ধরনের সহায়তা তাদের জীবনে নতুন আশার আলো জোগাবে। তিনি সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সকলকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
আরো পড়ুন , ঈশ্বরদী সরকারী কলেজে ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের মধ্যে সংঘর্ষ, গুলিবর্ষণ ও ভাংচুর-সাংবাদিকসহ আহত ৭
অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতিনিধিদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে চেক তুলে দেওয়া হয়।বক্তারা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কঠোর আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি। পাশাপাশি দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।এই সহায়তা কর্মসূচি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর আর্থিক সংকট মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বিষয় : দুর্ঘটনা সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ। গত ২২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে রংপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ড থেকে মঞ্জুরিকৃত মোট ৭১ লক্ষ টাকার অনুদানের চেক ক্ষতিগ্রস্ত ২৩টি পরিবারের মাঝে হস্তান্তর করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুরের জেলা প্রশাসক( ডিসি) মোহাম্মদ রুহুল আমিন। তিনি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য এই ধরনের সহায়তা তাদের জীবনে নতুন আশার আলো জোগাবে। তিনি সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সকলকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
আরো পড়ুন , ঈশ্বরদী সরকারী কলেজে ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের মধ্যে সংঘর্ষ, গুলিবর্ষণ ও ভাংচুর-সাংবাদিকসহ আহত ৭
অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতিনিধিদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে চেক তুলে দেওয়া হয়।বক্তারা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কঠোর আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি। পাশাপাশি দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।এই সহায়তা কর্মসূচি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর আর্থিক সংকট মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন