দেশে দ্বিতীয় কোনো তেল শোধনাগার না থাকাকে “গুরুত্বপূর্ণ ঘাটতি” হিসেবে উল্লেখ করেছেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেছেন, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত দ্বিতীয় রিফাইনারি স্থাপন এখন সময়ের দাবি।বৃহস্পতিবার দুপুরে মিরপুর সেনানিবাসে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ—এনডিসি আয়োজিত ‘ক্যাপস্টোন কোর্স ২০২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য, সামরিক ও পুলিশ কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদসহ বিভিন্ন পেশার ৪৫ জন ফেলো অংশ নেন। কোর্স শেষে অংশগ্রহণকারীরা জানান, এই প্রশিক্ষণ জাতীয় নিরাপত্তা ও উন্নয়ন বিষয়ে সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আরো পড়ুন , সৌদিতে হজযাত্রীর আগমন ২৫,৩৯৬, দুই জনের মৃত্যু
সেনাপ্রধান বলেন, বর্তমান বিশ্বে জ্বালানি নিরাপত্তা একটি কৌশলগত বিষয়। অথচ বাংলাদেশে এখনো মাত্র একটি তেল শোধনাগার রয়েছে, যা দেশের মোট চাহিদার খুব সামান্য অংশই পূরণ করতে সক্ষম।তিনি জানান, বিদ্যমান ইস্টার্ন রিফাইনারির মাধ্যমে দেশের জ্বালানি চাহিদার মাত্র ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পরিশোধন সম্ভব হচ্ছে। ফলে বাকি অংশের জন্য বাংলাদেশকে বিপুল পরিমাণ পরিশোধিত জ্বালানি আমদানি করতে হচ্ছে, যা অর্থনৈতিকভাবে ব্যয়বহুল।এ অবস্থায় জ্বালানি খাতে স্বনির্ভরতা অর্জনের জন্য দ্রুত দ্বিতীয় তেল শোধনাগার নির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান।তিনি বলেন, জ্বালানি অবকাঠামো শক্তিশালী না হলে দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় চাপ তৈরি হবে।
বিষয় : সেনাবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ রিফাইনারি

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
দেশে দ্বিতীয় কোনো তেল শোধনাগার না থাকাকে “গুরুত্বপূর্ণ ঘাটতি” হিসেবে উল্লেখ করেছেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেছেন, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত দ্বিতীয় রিফাইনারি স্থাপন এখন সময়ের দাবি।বৃহস্পতিবার দুপুরে মিরপুর সেনানিবাসে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ—এনডিসি আয়োজিত ‘ক্যাপস্টোন কোর্স ২০২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য, সামরিক ও পুলিশ কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদসহ বিভিন্ন পেশার ৪৫ জন ফেলো অংশ নেন। কোর্স শেষে অংশগ্রহণকারীরা জানান, এই প্রশিক্ষণ জাতীয় নিরাপত্তা ও উন্নয়ন বিষয়ে সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আরো পড়ুন , সৌদিতে হজযাত্রীর আগমন ২৫,৩৯৬, দুই জনের মৃত্যু
সেনাপ্রধান বলেন, বর্তমান বিশ্বে জ্বালানি নিরাপত্তা একটি কৌশলগত বিষয়। অথচ বাংলাদেশে এখনো মাত্র একটি তেল শোধনাগার রয়েছে, যা দেশের মোট চাহিদার খুব সামান্য অংশই পূরণ করতে সক্ষম।তিনি জানান, বিদ্যমান ইস্টার্ন রিফাইনারির মাধ্যমে দেশের জ্বালানি চাহিদার মাত্র ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পরিশোধন সম্ভব হচ্ছে। ফলে বাকি অংশের জন্য বাংলাদেশকে বিপুল পরিমাণ পরিশোধিত জ্বালানি আমদানি করতে হচ্ছে, যা অর্থনৈতিকভাবে ব্যয়বহুল।এ অবস্থায় জ্বালানি খাতে স্বনির্ভরতা অর্জনের জন্য দ্রুত দ্বিতীয় তেল শোধনাগার নির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান।তিনি বলেন, জ্বালানি অবকাঠামো শক্তিশালী না হলে দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় চাপ তৈরি হবে।

আপনার মতামত লিখুন