দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাবে বিপর্যয়ের মুখে মোবাইল নেটওয়ার্ক

বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাবে বিপর্যয়ের মুখে মোবাইল নেটওয়ার্ক
জ্বালানি সংকটের প্রভাবে বড় ধরনের চাপের মুখে পড়েছে টেলিযোগাযোগ

দেশে দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের প্রভাবে বড় ধরনের চাপের মুখে পড়েছে টেলিযোগাযোগ খাত। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক অবকাঠামো এখন প্রায় সম্পূর্ণভাবে জেনারেটরনির্ভর হয়ে পড়েছে।সম্প্রতি অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (অ্যামটব) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-কে চিঠি দিয়ে এই পরিস্থিতি সম্পর্কে সতর্ক করেছে।চিঠিতে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ সংকট শুধু পরিচালনাগত সমস্যা নয়, বরং দেশের সামগ্রিক ডিজিটাল সংযোগ ব্যবস্থার জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করছে।বর্তমানে দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিন গড়ে ৫ থেকে ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। ফলে মোবাইল অপারেটররা বেস স্টেশন, 

আরো পড়ুন , প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে মহাপরিচালক পদে নতুন নিয়োগ

ডাটা সেন্টার ও সুইচিং সেন্টার সচল রাখতে বাধ্য হয়ে ডিজেলচালিত জেনারেটরের ওপর নির্ভর করছে।প্রতিদিন প্রায় এক লাখ লিটার জ্বালানি ব্যবহার হচ্ছে নেটওয়ার্ক সচল রাখতে। এর মধ্যে শুধু বেস স্টেশন পরিচালনায় ৫২ হাজার লিটারের বেশি ডিজেল ও প্রায় ২০ হাজার লিটার অকটেন ব্যবহার হচ্ছে।ডাটা সেন্টার ও সুইচিং সিস্টেমে প্রতিদিন আরও প্রায় ২৭ হাজার লিটার ডিজেল ব্যবহৃত হচ্ছে। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হলে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে প্রতি ঘণ্টায় অতিরিক্ত ৫০০ থেকে ৬০০ লিটার ডিজেল খরচ হচ্ছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি টেলিকম খাতকে একটি কাঠামোগত ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে, যেখানে পুরো ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থা জেনারেটরের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।

বিষয় : নেটওয়ার্ক মোবাইল বিদ্যুৎ সংকট

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬


বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাবে বিপর্যয়ের মুখে মোবাইল নেটওয়ার্ক

প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

দেশে দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের প্রভাবে বড় ধরনের চাপের মুখে পড়েছে টেলিযোগাযোগ খাত। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক অবকাঠামো এখন প্রায় সম্পূর্ণভাবে জেনারেটরনির্ভর হয়ে পড়েছে।সম্প্রতি অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (অ্যামটব) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-কে চিঠি দিয়ে এই পরিস্থিতি সম্পর্কে সতর্ক করেছে।চিঠিতে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ সংকট শুধু পরিচালনাগত সমস্যা নয়, বরং দেশের সামগ্রিক ডিজিটাল সংযোগ ব্যবস্থার জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করছে।বর্তমানে দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিন গড়ে ৫ থেকে ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। ফলে মোবাইল অপারেটররা বেস স্টেশন, 

আরো পড়ুন , প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে মহাপরিচালক পদে নতুন নিয়োগ

ডাটা সেন্টার ও সুইচিং সেন্টার সচল রাখতে বাধ্য হয়ে ডিজেলচালিত জেনারেটরের ওপর নির্ভর করছে।প্রতিদিন প্রায় এক লাখ লিটার জ্বালানি ব্যবহার হচ্ছে নেটওয়ার্ক সচল রাখতে। এর মধ্যে শুধু বেস স্টেশন পরিচালনায় ৫২ হাজার লিটারের বেশি ডিজেল ও প্রায় ২০ হাজার লিটার অকটেন ব্যবহার হচ্ছে।ডাটা সেন্টার ও সুইচিং সিস্টেমে প্রতিদিন আরও প্রায় ২৭ হাজার লিটার ডিজেল ব্যবহৃত হচ্ছে। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হলে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে প্রতি ঘণ্টায় অতিরিক্ত ৫০০ থেকে ৬০০ লিটার ডিজেল খরচ হচ্ছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি টেলিকম খাতকে একটি কাঠামোগত ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে, যেখানে পুরো ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থা জেনারেটরের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত