জ্বালানি তেলের সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে দেশজুড়ে চরম ভোগান্তি দেখা দিয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে বিদ্যুৎ, পরিবহন, শিল্প ও কৃষি খাতে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের পর বিশ্ববাজারে তেলের অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। এতে সরকার ভর্তুকির চাপ কমাতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে।
এর ফলে গণপরিবহনে ভাড়া বৃদ্ধির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। রাজধানীর কিছু রুটে ঘোষণা ছাড়াই যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। একইসঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদনেও দেখা দিয়েছে সংকট। গত মধ্যরাতে দেশে প্রায় ১ হাজার ৯১২ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে। গ্রামাঞ্চলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ, অনেক এলাকায় দিনের বড় অংশ বিদ্যুৎ থাকছে না।
আরও পড়ুন, জনগণ হারানো গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, দেশে ১৩৬টি বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকলেও জ্বালানিসংকটে সক্ষমতার অর্ধেকও উৎপাদন হচ্ছে না। এই সংকটের কারণে শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বিকেএমইএ জানিয়েছে, জেনারেটর চালাতে জ্বালানি না পাওয়ায় রপ্তানিমুখী কারখানাগুলো সমস্যায় পড়েছে। কৃষিক্ষেত্রেও বিপর্যয় নেমেছে। ডিজেল সংকটে সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে, ফলে কৃষকরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
আরও পড়ুন, ডিএমপিতে ৫ পরিদর্শক বদলি
স্বাস্থ্যখাতেও এর প্রভাব পড়েছে। জেনারেটর চালাতে না পারায় কিছু হাসপাতালে অপারেশন ও জরুরি সেবা ব্যাহত হচ্ছে।অন্যদিকে, মোবাইল অপারেটররা আশঙ্কা করছেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট চলতে থাকলে টেলিকম সেবা বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে। সব মিলিয়ে জ্বালানি সংকট এখন দেশের অর্থনীতি ও জনজীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেলছে।
বিষয় : ভোগান্তি মূল্যবৃদ্ধি জ্বালানি সংকট

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
জ্বালানি তেলের সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে দেশজুড়ে চরম ভোগান্তি দেখা দিয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে বিদ্যুৎ, পরিবহন, শিল্প ও কৃষি খাতে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের পর বিশ্ববাজারে তেলের অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। এতে সরকার ভর্তুকির চাপ কমাতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে।
এর ফলে গণপরিবহনে ভাড়া বৃদ্ধির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। রাজধানীর কিছু রুটে ঘোষণা ছাড়াই যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। একইসঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদনেও দেখা দিয়েছে সংকট। গত মধ্যরাতে দেশে প্রায় ১ হাজার ৯১২ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে। গ্রামাঞ্চলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ, অনেক এলাকায় দিনের বড় অংশ বিদ্যুৎ থাকছে না।
আরও পড়ুন, জনগণ হারানো গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, দেশে ১৩৬টি বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকলেও জ্বালানিসংকটে সক্ষমতার অর্ধেকও উৎপাদন হচ্ছে না। এই সংকটের কারণে শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বিকেএমইএ জানিয়েছে, জেনারেটর চালাতে জ্বালানি না পাওয়ায় রপ্তানিমুখী কারখানাগুলো সমস্যায় পড়েছে। কৃষিক্ষেত্রেও বিপর্যয় নেমেছে। ডিজেল সংকটে সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে, ফলে কৃষকরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
আরও পড়ুন, ডিএমপিতে ৫ পরিদর্শক বদলি
স্বাস্থ্যখাতেও এর প্রভাব পড়েছে। জেনারেটর চালাতে না পারায় কিছু হাসপাতালে অপারেশন ও জরুরি সেবা ব্যাহত হচ্ছে।অন্যদিকে, মোবাইল অপারেটররা আশঙ্কা করছেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট চলতে থাকলে টেলিকম সেবা বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে। সব মিলিয়ে জ্বালানি সংকট এখন দেশের অর্থনীতি ও জনজীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেলছে।

আপনার মতামত লিখুন