ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস—এলপিজির দাম আবারও বাড়ানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১২ কেজির একটি সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৯৪০ টাকা।রোববার বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। সংস্থাটি জানিয়েছে, নতুন এই মূল্য একই দিন সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর হয়েছে।এর আগে চলতি মাসের ২
এপ্রিল সর্বশেষ এলপিজির দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ হাজার ৭২৮ টাকা। মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধি ভোক্তাদের জন্য নতুন চাপ তৈরি করেছে।বিশেষ করে শহর ও গ্রামে যারা রান্নার জ্বালানি হিসেবে এলপিজির ওপর নির্ভরশীল, তাদের ব্যয় আরও বেড়ে গেল।জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির মূল্য ওঠানামা এবং ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধির প্রভাবেই দেশে
আরো পড়ুন , বিদেশি নতুন বিনিয়োগে খরা, অর্থনীতিতে উদ্বেগ
এই দাম সমন্বয় করা হয়েছে।তবে ভোক্তাদের অভিযোগ—বারবার দাম বাড়লেও আয় বাড়ছে না, ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ সামলানো দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে।বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং বিকল্প জ্বালানির দিকে নজর দেওয়া জরুরি।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস—এলপিজির দাম আবারও বাড়ানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১২ কেজির একটি সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৯৪০ টাকা।রোববার বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। সংস্থাটি জানিয়েছে, নতুন এই মূল্য একই দিন সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর হয়েছে।এর আগে চলতি মাসের ২
এপ্রিল সর্বশেষ এলপিজির দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ হাজার ৭২৮ টাকা। মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধি ভোক্তাদের জন্য নতুন চাপ তৈরি করেছে।বিশেষ করে শহর ও গ্রামে যারা রান্নার জ্বালানি হিসেবে এলপিজির ওপর নির্ভরশীল, তাদের ব্যয় আরও বেড়ে গেল।জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির মূল্য ওঠানামা এবং ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধির প্রভাবেই দেশে
আরো পড়ুন , বিদেশি নতুন বিনিয়োগে খরা, অর্থনীতিতে উদ্বেগ
এই দাম সমন্বয় করা হয়েছে।তবে ভোক্তাদের অভিযোগ—বারবার দাম বাড়লেও আয় বাড়ছে না, ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ সামলানো দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে।বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং বিকল্প জ্বালানির দিকে নজর দেওয়া জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন