দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

হাওরে ধানের সোনালি হাসি, কৃষকের মুখে নীরব হতাশা

হাওরে ধানের সোনালি হাসি, কৃষকের মুখে নীরব হতাশা
মৌসুমে ধানের বাম্পার ফলন হলেও কৃষকের মুখে নেই স্বস্তির হাসি

নেত্রকোনার হাওরাঞ্চল খালিয়াজুরীতে এবার বোরো মৌসুমে ধানের বাম্পার ফলন হলেও কৃষকের মুখে নেই স্বস্তির হাসি।মাঠে সোনালি ধানের ঢেউ থাকলেও বাজারে ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় চরম হতাশায় ভুগছেন কৃষকরা।স্থানীয় বাজারে ৪১ কেজি এক মণ চিকন ধান বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকায়। অথচ উৎপাদন খরচ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার টাকা প্রতি মণ।ফলে প্রতি মণে কৃষকরা গড়ে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা লোকসানের মুখে পড়ছেন।কৃষক লিটন মিয়া বলেন, সার, শ্রমিক ও সেচের খরচ বাড়লেও ধানের দাম বাড়ছে না। এত কষ্টের পরও উৎপাদন খরচই উঠছে না।আরেক কৃষক আরজু মোল্লা জানান, ধান কাটা থেকে শুরু করে মাড়াই ও পরিবহন খরচ মেটাতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের।

আরো পড়ুন , আজ সিলেট নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ

 অনেকেই ঋণের কারণে বাধ্য হয়ে কম দামে ধান বিক্রি করছেন।উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, খালিয়াজুরীতে চলতি মৌসুমে ২০ হাজার ২৩২ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে, যার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ১ লাখ ৪৮ হাজার মেট্রিক টন।হিসাব বলছে, পুরো উপজেলায় কৃষকের সম্ভাব্য ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াতে পারে প্রায় ৫৪ থেকে ৭২ কোটি টাকা।উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা জানান, সরকারি ধান সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু না হওয়ায় বাজারে সরবরাহ বেশি থাকায় দাম কমে গেছে। তবে শিগগির পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আশা করছেন তিনি।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কৃষক ন্যায্যমূল্য না পেলে ভবিষ্যতে ধান চাষে আগ্রহ কমে যেতে পারে, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করবে।

বিষয় : কৃষক সোনালি ধান ন্যায্যমূল্য

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


হাওরে ধানের সোনালি হাসি, কৃষকের মুখে নীরব হতাশা

প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

নেত্রকোনার হাওরাঞ্চল খালিয়াজুরীতে এবার বোরো মৌসুমে ধানের বাম্পার ফলন হলেও কৃষকের মুখে নেই স্বস্তির হাসি।মাঠে সোনালি ধানের ঢেউ থাকলেও বাজারে ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় চরম হতাশায় ভুগছেন কৃষকরা।স্থানীয় বাজারে ৪১ কেজি এক মণ চিকন ধান বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকায়। অথচ উৎপাদন খরচ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার টাকা প্রতি মণ।ফলে প্রতি মণে কৃষকরা গড়ে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা লোকসানের মুখে পড়ছেন।কৃষক লিটন মিয়া বলেন, সার, শ্রমিক ও সেচের খরচ বাড়লেও ধানের দাম বাড়ছে না। এত কষ্টের পরও উৎপাদন খরচই উঠছে না।আরেক কৃষক আরজু মোল্লা জানান, ধান কাটা থেকে শুরু করে মাড়াই ও পরিবহন খরচ মেটাতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের।

আরো পড়ুন , আজ সিলেট নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ

 অনেকেই ঋণের কারণে বাধ্য হয়ে কম দামে ধান বিক্রি করছেন।উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, খালিয়াজুরীতে চলতি মৌসুমে ২০ হাজার ২৩২ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে, যার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ১ লাখ ৪৮ হাজার মেট্রিক টন।হিসাব বলছে, পুরো উপজেলায় কৃষকের সম্ভাব্য ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াতে পারে প্রায় ৫৪ থেকে ৭২ কোটি টাকা।উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা জানান, সরকারি ধান সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু না হওয়ায় বাজারে সরবরাহ বেশি থাকায় দাম কমে গেছে। তবে শিগগির পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আশা করছেন তিনি।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কৃষক ন্যায্যমূল্য না পেলে ভবিষ্যতে ধান চাষে আগ্রহ কমে যেতে পারে, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করবে।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত