দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ, আপন ভাইদের নির্যাতনে গৃহহীন দুই বোন

পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ, আপন ভাইদের নির্যাতনে গৃহহীন দুই বোন
পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ, আপন ভাইদের নির্যাতনে গৃহহীন দুই বোন

অভিযোগ উঠেছে ঝিনাইদহ সদর থানার পৌরসভার অন্তর্গত পার্ক পাড়া, শহীদ আলমগীর সড়কের  মরহুম ইমরান হোসেনের  চার পুত্র ও দুই কন্যা দীর্ঘদিন যাবত তাদের বাবার বাড়িতেই বসবাস করে আসছিল। বিভিন্ন সূত্র মতে জানা যায়  তাদের বাবার রেখে যাওয়া দ্বিতল বিশিষ্ট ভবনটি  মরহুম ইমরান হোসেন তার জীবদ্দশায় সাত সন্তানদের মধ্যে বসবাসের জন্য মৌখিকভাবে বন্টন করে যান, কিন্তু একই ছাদের নিচে বসবাস করা সত্ত্বেও দু বছর গড়াতেই চক্ষুশূলে পরিণত হয় আপন দুই বোন। এর একমাত্র কারণই নাকি বাবার রেখে যাওয়া সম্পত্তি। 

আরও পড়ুন, কাজের এক পার্সেন্ট দিতে হবে প্রকৌশলী সাইফুল ইসলামকে, অডিও রেকর্ডিং ফাঁস

চার ভাই মিলে বিভিন্ন সময়ে বোনদের কে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে জমি লিখে দেওয়ার জন্য। উপায়ন্তর  না পেয়ে বাবার রেখে যাওয়া সম্পত্তি প্রকৃত ওয়ারেশগণের মধ্যে বন্টকের জন্য আদালতের দ্বারস্থ হন দুই বোন। এ ব্যাপারে আদালত নালিশী সম্পত্তিতে দখল ভিত্তিক শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন ঝিনাইদহ সদর থানাকে। বিজ্ঞ আদালতের আদেশপ্রাপ্ত হয়ে ঝিনাইদহ সদর থানা উভয় পক্ষ কে শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার নিমিত্তে  নোটিসের মাধ্যমে অবগত করান। নোটিশ প্রাপ্তির পরই চার ভাই আবরার হোসেন,  রাছিব, রাকিব ও রোকন মিলে বোনদের উপর  নতুন করে  শুরু করে নির্যাতন।  

আরও পড়ুন, মহেশপুরে মাইটিভির ১৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

বিভিন্ন মাধ্যমে জানাযায়  আপন চার ভাই মিলে লোহার শাবল ও বাঁশের লাঠি দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে রক্তাক্ত যখম করে আপন ছোটবোন মোছাঃ খিয়াম কে। সেই সাথে বাড়ীর সকল আসবাব পত্র ভাংচুর করে  বাইরে ফেলে দেয় ও স্বর্নলংকার ও কিছু নগদ অর্থ লুন্ঠন করে ঘরের দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেয়।  ছোট বোন মোছাঃ খিয়াম গুরুতর জখম নিয়ে ঝিনাইদহ  সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা  শেষে বাড়ি ফিরে খুঁজে পাচ্ছে না মাথা গোঁজার ঠাই। অন্যদিকে  তার অপর আরেক বোন মোছা: আশরাফুন্নাহার ও তার স্বামী মোঃ হাফিজুর রহমান প্রানভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। 

আরও পড়ুন, ইছামতি নদী থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহের পরিচয় মিলেছে, হত্যা মামলা দায়ের করলেন ছোট ভাই

ভুক্তভোগীরা এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি'র সাথে যোগাযোগ করেও কোন প্রতিকার পান নাই বলে অভিযোগ করেন। যদিও শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার নিমিত্তে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঝিনাইদহ সদর থানার প্রতি বিজ্ঞ আদালতের স্পষ্ট আদেশ  ও নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় আদালতের আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিষ্ক্রিয় প্রশাসন। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী পরিবার সুবিচারের আশায় দারস্থ হচ্ছ আদালত, প্রশাসনের এমনকি ঘুরছে দ্বারে দ্বারে।

বিষয় : ঝিনাইদহ নির্যাতন বিরোধ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ, আপন ভাইদের নির্যাতনে গৃহহীন দুই বোন

প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

অভিযোগ উঠেছে ঝিনাইদহ সদর থানার পৌরসভার অন্তর্গত পার্ক পাড়া, শহীদ আলমগীর সড়কের  মরহুম ইমরান হোসেনের  চার পুত্র ও দুই কন্যা দীর্ঘদিন যাবত তাদের বাবার বাড়িতেই বসবাস করে আসছিল। বিভিন্ন সূত্র মতে জানা যায়  তাদের বাবার রেখে যাওয়া দ্বিতল বিশিষ্ট ভবনটি  মরহুম ইমরান হোসেন তার জীবদ্দশায় সাত সন্তানদের মধ্যে বসবাসের জন্য মৌখিকভাবে বন্টন করে যান, কিন্তু একই ছাদের নিচে বসবাস করা সত্ত্বেও দু বছর গড়াতেই চক্ষুশূলে পরিণত হয় আপন দুই বোন। এর একমাত্র কারণই নাকি বাবার রেখে যাওয়া সম্পত্তি। 

আরও পড়ুন, কাজের এক পার্সেন্ট দিতে হবে প্রকৌশলী সাইফুল ইসলামকে, অডিও রেকর্ডিং ফাঁস

চার ভাই মিলে বিভিন্ন সময়ে বোনদের কে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে জমি লিখে দেওয়ার জন্য। উপায়ন্তর  না পেয়ে বাবার রেখে যাওয়া সম্পত্তি প্রকৃত ওয়ারেশগণের মধ্যে বন্টকের জন্য আদালতের দ্বারস্থ হন দুই বোন। এ ব্যাপারে আদালত নালিশী সম্পত্তিতে দখল ভিত্তিক শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন ঝিনাইদহ সদর থানাকে। বিজ্ঞ আদালতের আদেশপ্রাপ্ত হয়ে ঝিনাইদহ সদর থানা উভয় পক্ষ কে শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার নিমিত্তে  নোটিসের মাধ্যমে অবগত করান। নোটিশ প্রাপ্তির পরই চার ভাই আবরার হোসেন,  রাছিব, রাকিব ও রোকন মিলে বোনদের উপর  নতুন করে  শুরু করে নির্যাতন।  

আরও পড়ুন, মহেশপুরে মাইটিভির ১৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

বিভিন্ন মাধ্যমে জানাযায়  আপন চার ভাই মিলে লোহার শাবল ও বাঁশের লাঠি দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে রক্তাক্ত যখম করে আপন ছোটবোন মোছাঃ খিয়াম কে। সেই সাথে বাড়ীর সকল আসবাব পত্র ভাংচুর করে  বাইরে ফেলে দেয় ও স্বর্নলংকার ও কিছু নগদ অর্থ লুন্ঠন করে ঘরের দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেয়।  ছোট বোন মোছাঃ খিয়াম গুরুতর জখম নিয়ে ঝিনাইদহ  সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা  শেষে বাড়ি ফিরে খুঁজে পাচ্ছে না মাথা গোঁজার ঠাই। অন্যদিকে  তার অপর আরেক বোন মোছা: আশরাফুন্নাহার ও তার স্বামী মোঃ হাফিজুর রহমান প্রানভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। 

আরও পড়ুন, ইছামতি নদী থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহের পরিচয় মিলেছে, হত্যা মামলা দায়ের করলেন ছোট ভাই

ভুক্তভোগীরা এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি'র সাথে যোগাযোগ করেও কোন প্রতিকার পান নাই বলে অভিযোগ করেন। যদিও শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার নিমিত্তে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঝিনাইদহ সদর থানার প্রতি বিজ্ঞ আদালতের স্পষ্ট আদেশ  ও নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় আদালতের আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিষ্ক্রিয় প্রশাসন। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী পরিবার সুবিচারের আশায় দারস্থ হচ্ছ আদালত, প্রশাসনের এমনকি ঘুরছে দ্বারে দ্বারে।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত