গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলায় ৯ম শ্রেণীর এক মাদ্রাসাছাত্রী অপহরণের ঘটনায় মামলা দায়েরের পর ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৭ জন আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ এপ্রিল ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে ১৬ বছর বয়সী ছাত্রী ফারিহাকে অপহরণ করা হয়। ঘটনাটি ঘটে শ্রীপুর পৌরসভার মাওনা ফায়ার সার্ভিস সংলগ্ন এলাকায়। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় যুবক আবিদ (২১)সহ কয়েকজন মিলে তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়।
আরও পড়ুন, ধান যদি না উঠে কৃষকের ঘরে ‘কৃষক কার্ড দিয়ে কৃষকের কি হবে’
পরদিন ১৫ এপ্রিল সকালে চাপের মুখে অপহরণকারী আবিদ ভিকটিমকে তার বাবার বাড়িতে ফিরিয়ে আনলেও, স্থানীয়ভাবে সালিস বৈঠকে সমাধান না হওয়ায় পুনরায় বেলা ১১টার দিকে ভিকটিমকে বাড়ি থেকে জোর করে তুলে নিয়ে যায় এবং আত্মীয়দের মারধর করে। এ ঘটনায় ভিকটিমের পিতার অভিযোগের ভিত্তিতে শ্রীপুর থানা-এ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনসহ একাধিক ধারায় মামলা (নং-৩১, তারিখ: ১৬-০৪-২০২৬) রুজু করা হয়। মামলায় প্রধান আসামী আবিদসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ এবং আরও ২৫-৩০ জনকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, মাদারীপুরের কালকিনিতে খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন, জলাবদ্ধতা নিরসনে নতুন আশা
পুলিশ সুপারের নির্দেশে জেলা গোয়েন্দা সংস্থা ও থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে এজাহারভুক্ত ২ জনসহ মোট ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। অভিযান অব্যাহত রেখে আজ ১৮ এপ্রিল ভোর সাড়ে ৬টার দিকে শ্রীপুরের নয়নপুর এমসি বাজার এলাকা থেকে অপহৃত ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। তবে এ সময় মূল আসামী আবিদসহ অন্যরা পালিয়ে যায়। উদ্ধারকৃত ভিকটিমকে মেডিকেল পরীক্ষা ও আদালতে জবানবন্দির জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রধান আসামীসহ বাকি আসামীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
বিষয় : গাজীপুর অপহরণ মাদ্রাসাছাত্রী আবিদ

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলায় ৯ম শ্রেণীর এক মাদ্রাসাছাত্রী অপহরণের ঘটনায় মামলা দায়েরের পর ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৭ জন আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ এপ্রিল ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে ১৬ বছর বয়সী ছাত্রী ফারিহাকে অপহরণ করা হয়। ঘটনাটি ঘটে শ্রীপুর পৌরসভার মাওনা ফায়ার সার্ভিস সংলগ্ন এলাকায়। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় যুবক আবিদ (২১)সহ কয়েকজন মিলে তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়।
আরও পড়ুন, ধান যদি না উঠে কৃষকের ঘরে ‘কৃষক কার্ড দিয়ে কৃষকের কি হবে’
পরদিন ১৫ এপ্রিল সকালে চাপের মুখে অপহরণকারী আবিদ ভিকটিমকে তার বাবার বাড়িতে ফিরিয়ে আনলেও, স্থানীয়ভাবে সালিস বৈঠকে সমাধান না হওয়ায় পুনরায় বেলা ১১টার দিকে ভিকটিমকে বাড়ি থেকে জোর করে তুলে নিয়ে যায় এবং আত্মীয়দের মারধর করে। এ ঘটনায় ভিকটিমের পিতার অভিযোগের ভিত্তিতে শ্রীপুর থানা-এ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনসহ একাধিক ধারায় মামলা (নং-৩১, তারিখ: ১৬-০৪-২০২৬) রুজু করা হয়। মামলায় প্রধান আসামী আবিদসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ এবং আরও ২৫-৩০ জনকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, মাদারীপুরের কালকিনিতে খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন, জলাবদ্ধতা নিরসনে নতুন আশা
পুলিশ সুপারের নির্দেশে জেলা গোয়েন্দা সংস্থা ও থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে এজাহারভুক্ত ২ জনসহ মোট ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। অভিযান অব্যাহত রেখে আজ ১৮ এপ্রিল ভোর সাড়ে ৬টার দিকে শ্রীপুরের নয়নপুর এমসি বাজার এলাকা থেকে অপহৃত ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। তবে এ সময় মূল আসামী আবিদসহ অন্যরা পালিয়ে যায়। উদ্ধারকৃত ভিকটিমকে মেডিকেল পরীক্ষা ও আদালতে জবানবন্দির জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রধান আসামীসহ বাকি আসামীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।

আপনার মতামত লিখুন