চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় জ্বালানি তেল নিতে গিয়ে এক পুলিশ সদস্যকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করার ঘটনায় সৃষ্টি হয়েছে বিতর্ক।জেলা পুলিশের দাবি, জরুরি দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে ওই সদস্য বিকল্প লাইনে তেল সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন। অথচ ইউনিফর্ম পরা অবস্থায়ই তাকে ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে। আলমডাঙ্গা থানায় কর্মরত ওই পুলিশ সদস্য মোটরসাইকেলে একটি ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে গেলে দায়িত্বে থাকা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে জরিমানা করেন।
আরো পড়ুন , বিশেষ অভিযানে হাতিয়ায় চিহ্নিত সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার
এ ঘটনায় শুক্রবার বিকেলে চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।পুলিশ বলছে, গত ২৯ মার্চ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছিল—আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ জরুরি সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তিরা ফিলিং স্টেশনে বিকল্প লাইনে জ্বালানি নিতে পারবেন।তাদের মতে, সাম্প্রতিক এই ঘটনায় সেই সিদ্ধান্ত কার্যত উপেক্ষা করা হয়েছে।এ নিয়ে প্রশাসনের ভেতরেই প্রশ্ন উঠেছে—জরুরি সেবায় নিয়োজিতদের ক্ষেত্রে এমন পদক্ষেপ কতটা যৌক্তিক।
বিষয় : ক্ষোভ জ্বালানি তেল বিপাকে পুলিশ

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় জ্বালানি তেল নিতে গিয়ে এক পুলিশ সদস্যকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করার ঘটনায় সৃষ্টি হয়েছে বিতর্ক।জেলা পুলিশের দাবি, জরুরি দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে ওই সদস্য বিকল্প লাইনে তেল সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন। অথচ ইউনিফর্ম পরা অবস্থায়ই তাকে ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে। আলমডাঙ্গা থানায় কর্মরত ওই পুলিশ সদস্য মোটরসাইকেলে একটি ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে গেলে দায়িত্বে থাকা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে জরিমানা করেন।
আরো পড়ুন , বিশেষ অভিযানে হাতিয়ায় চিহ্নিত সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার
এ ঘটনায় শুক্রবার বিকেলে চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।পুলিশ বলছে, গত ২৯ মার্চ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছিল—আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ জরুরি সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তিরা ফিলিং স্টেশনে বিকল্প লাইনে জ্বালানি নিতে পারবেন।তাদের মতে, সাম্প্রতিক এই ঘটনায় সেই সিদ্ধান্ত কার্যত উপেক্ষা করা হয়েছে।এ নিয়ে প্রশাসনের ভেতরেই প্রশ্ন উঠেছে—জরুরি সেবায় নিয়োজিতদের ক্ষেত্রে এমন পদক্ষেপ কতটা যৌক্তিক।

আপনার মতামত লিখুন