প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই জলকেলির মাধ্যমে তরুণ-তরুণীদের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সম্পর্কের প্রকাশ ঘটে, যা কখনো কখনো বিবাহবন্ধনেও রূপ নেয় বলে স্থানীয়রা জানান। উৎসবে আরও ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ঐতিহ্যবাহী নৃত্য-গান, তৈলাক্ত বাঁশ আরোহণ এবং পিঠা তৈরির প্রতিযোগিতা। পাহাড়ি বিভিন্ন পল্লিতেও শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সের মানুষ আনন্দে অংশ নেয়।
আরও পড়ুন, বরিশালে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, বাবা-ছেলে দগ্ধ
এর আগে সাঙ্গু নদীর চড়ে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অংশগ্রহণে বৌদ্ধমূর্তি স্নান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে পবিত্র জল ঢেলে প্রার্থনা করা হয় শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য। অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, পাহাড়ে সব জাতিগোষ্ঠীর সহাবস্থানই দেশের সম্প্রীতির বড় উদাহরণ।
আরও পড়ুন, নোয়াখালীর স্কুলছাত্রী অদিতা হত্যা মামলার রায় আজ আদালতের রায়ের অপেক্ষা
তিনি আরও জানান, সরকারের উদ্যোগে পার্বত্য অঞ্চলের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং উন্নয়নে নতুন কর্মসূচি নেওয়া হবে। উৎসব আয়োজকরা জানান, সাংগ্রাই উৎসবের মূল কার্যক্রম শেষ হলেও পাহাড়ি পল্লিগুলোতে আনন্দ-উৎসব চলবে আরও কয়েক দিন।
বিষয় : বান্দরবান বর্ষণ পাহাড়ি জনপদ

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই জলকেলির মাধ্যমে তরুণ-তরুণীদের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সম্পর্কের প্রকাশ ঘটে, যা কখনো কখনো বিবাহবন্ধনেও রূপ নেয় বলে স্থানীয়রা জানান। উৎসবে আরও ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ঐতিহ্যবাহী নৃত্য-গান, তৈলাক্ত বাঁশ আরোহণ এবং পিঠা তৈরির প্রতিযোগিতা। পাহাড়ি বিভিন্ন পল্লিতেও শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সের মানুষ আনন্দে অংশ নেয়।
আরও পড়ুন, বরিশালে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, বাবা-ছেলে দগ্ধ
এর আগে সাঙ্গু নদীর চড়ে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অংশগ্রহণে বৌদ্ধমূর্তি স্নান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে পবিত্র জল ঢেলে প্রার্থনা করা হয় শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য। অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, পাহাড়ে সব জাতিগোষ্ঠীর সহাবস্থানই দেশের সম্প্রীতির বড় উদাহরণ।
আরও পড়ুন, নোয়াখালীর স্কুলছাত্রী অদিতা হত্যা মামলার রায় আজ আদালতের রায়ের অপেক্ষা
তিনি আরও জানান, সরকারের উদ্যোগে পার্বত্য অঞ্চলের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং উন্নয়নে নতুন কর্মসূচি নেওয়া হবে। উৎসব আয়োজকরা জানান, সাংগ্রাই উৎসবের মূল কার্যক্রম শেষ হলেও পাহাড়ি পল্লিগুলোতে আনন্দ-উৎসব চলবে আরও কয়েক দিন।

আপনার মতামত লিখুন